Honor Killing: পরিবারের সম্মান রক্ষার্থে খুনের ঘটনা নতুন কিছু নয়। এবার রাজস্থানের (Rajasthan) এক প্রতিভাবান ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়কে অপহরণ করে অত্যাচারের পর খুনের অভিযোগ উঠল। হরিয়ানার (Haryana) ফরিদাবাদের (Faridabad) এই ঘটনায় দেশজুড়ে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

DID YOU
KNOW
?
পরিবারের সম্মানে খুন!
পরিবারের সম্মান রক্ষায় রাজস্থান, হরিয়ানার মতো রাজ্যে খুনের ঘটনা নতুন নয়। এবার হরিয়ানায় একই অভিযোগ উঠেছে।

Rajasthan badminton player killed: এক নাবালিকার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের জেরে রাজস্থানের প্রতিভাবান ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়কে অপহরণের পর নৃশংস অত্যাচার চালিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল। এই ঘটনা ঘটেছে হরিয়ানার (Haryana) ফরিদাবাদের (Faridabad) তিগাঁও থানা অঞ্চলে (Tigaon Police Station)। এই ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়ের নাম মনু। তাঁর বয়স ২১ বছর। তাঁর বাড়ি রাজস্থানের খৈরথাল-তিজারা জেলার ভিওয়াড়ির (Bhiwadi) সৈদপুর গ্রামে (Saidpur village)। সম্প্রতি দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা দেন মনু। তিনি খেলার পাশাপাশি পড়াশোনাতেও ভালো ছিলেন। দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় ৭০ শতাংশ নাম্বার পান এই তরুণ। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, স্কুলের হয়ে জেলা ও রাজ্য স্তরের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় যোগ দিয়ে সাফল্য পান মনু। কিন্তু প্রেমিকার পরিবারের লোকজনের নৃশংস আচরণের কারণে এই তরুণের জীবন শেষ হয়ে গেল।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

মনুর বিরুদ্ধে অপহরণের অভিযোগ ছিল

ফরিদাবাদ পুলিশের মুখপাত্র যশপাল সিং জানিয়েছেন, চলতি বছরের এপ্রিলে মনুর বিরুদ্ধে এক নাবালিকাকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। কুলভূষণ নামে এক ব্যক্তি তিগাঁও থানায় এই অভিযোগ দায়ের করেন। পরে ওই নাবালিকাকে উদ্ধার করা হয়। তারপর থেকে মনু পলাতক ছিলেন। পরে কুলভূষণ পুলিশকে জানান, তাঁর বাড়িতে আছেন মনু। এরপর পুলিশকর্মীরা কুলভূষণের বাড়িতে গিয়ে দেখেন মনুর শারীরিক অবস্থা গুরুতর। এই তরুণকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। এরপর নাবালিকার পরিবারের বিরুদ্ধে অপহরণ-সহ বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। দুই অভিযুক্তকে পাকড়াও করা হয়েছে। এই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

অত্যাচার করে খুনের অভিযোগ মনুর পরিবারের

মনুর পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, ওই নাবালিকার মামার বাড়ি সৈদপুরে। তিনি প্রায়ই মামার বাড়ি আসতেন। সেখানেই মনুর সঙ্গে আলাপ হয়। এরপর তাঁদের ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। মনুর কাকা নরেন্দ্র জানিয়েছেন, ১৭ মে মনু বলেন, তিনি তিগাঁও থানায় যাচ্ছেন। কিন্তু থানায় পৌঁছনোর আগেই নাবালিকার পরিবারের সদস্যরা মনুকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে তিন দিন আটকে রাখেন। তাঁরা মনুর উপর অত্যাচার চালান। এরপর ২০ মে পুলিশের পক্ষ থেকে মনুর বাড়িতে খবর দেওয়া হয়।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।