Spain vs France Semifinal: ম্যাচের ৩৬ মিনিটে, আক্রমণ তুলে আনে ফ্রান্স। তবে বারকোলা সুযোগ নষ্ট করেন। উল্টোদিকে ৩৭ মিনিটের মাথায়, মিস করেন স্পেনের পেদ্রো। ৩৮ মিনিটে, লামিনে ইয়ামালের অ্যাসিস্ট থেকে ফ্যাবিয়ান রুইজের শট আটকে যায়। প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-০ ফলাফল নিয়েই।
Spain vs France Semifinal: শুরু থেকেই জমে ওঠে এই হাইভোল্টেজ ম্যাচ (Spain vs France Semifinal)। খেলার ১১ মিনিটে, স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড অ্যালেক্স বায়েনার শট ব্লক হয় ফরাসি ডিফেন্সে। ম্যাচের ২০ মিনিটে, পেনাল্টি বক্সের মধ্যে লামিনে ইয়ামালকে ফাউল করেন ফ্রান্সের ডিফেন্ডার লুকাস ডিগনে। সঙ্গে সঙ্গে রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। ম্যাচের ২২ মিনিটে, সেই পেনাল্টি থেকে গোল করে স্পেনকে এগিয়ে দেন মিকেল ওয়য়ারজাবাল। ৩০ মিনিটের মাথায়, মাঠ ছাড়েন ফরাসি রক্ষণভাগের খেলোয়াড় উইলিয়াম সালিবা। তাঁর জায়গায় মাঠে নামেন ম্যাক্সেন্স লাক্রোয়া। এরপর ৩৪ মিনিটে, ফ্যাবিয়ান রুইজের অ্যাসিস্ট থেকে বল পেয়ে দানি অলমোর ডান পায়ের শট অনেকটা উপর দিয়ে চলে যায় (semi final fifa world cup 2026)।
সব জারিজুরি শেষ এমবাপে-ডেম্বেলের!
ম্যাচের ৩৬ মিনিটে, আক্রমণ তুলে আনে ফ্রান্স। তবে বারকোলা সুযোগ নষ্ট করেন। উল্টোদিকে ৩৭ মিনিটের মাথায়, মিস করেন স্পেনের পেদ্রো। ৩৮ মিনিটে, লামিনে ইয়ামালের অ্যাসিস্ট থেকে ফ্যাবিয়ান রুইজের শট আটকে যায়। প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-০ ফলাফল নিয়েই। এরপর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই অ্যাড্রিয়েন র্যাবিয়টের জায়গায় মাঠে আসেন মানু কোনে। কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই প্রায় গোলের কাছে পৌঁছে গেছিলেন ইয়ামাল। কিন্তু একটুর জন্য মিস করেন। অন্যদিকে, খেলার ৫২ মিনিটে, মিকেল ওয়য়ারজাবালের শট বাইরে চলে যায়। তবে স্পেন যেন রীতিমতো ঝড় তোলে ফরাসি পেনাল্টি বক্সে। মুহুর্মুহু আক্রমণ শানাতে থাকে তারা। কার্যত, মাঝমাঠ পুরোপুরিভাবে স্পেনের দখলে চলে যায়।

ফ্রান্সকে ২-০ গোলে উড়িয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন
আর সেই সুবাদেই আবার গোল। ম্যাচের ৫৮ মিনিটে, দানি অলমোর অ্যাসিস্ট থেকে পেদ্রো পোরোর ডান পায়ের অনবদ্য শট সোজা জালে জড়িয়ে যায় এবং স্পেন খেলায় লিড নেয় ২-০ ব্যবধানে। এরপর অবশ্য খেলার ৬৫ মিনিটে, মাইকেল ওলিস ক্রস থেকে পাওয়া বলে অরেলিয়েন চুয়ামেনির শট অনেকটা বাইরে দিয়ে চলে যায়। অন্যদিকে, একটি পরিবর্তন হয় ফরাসি ব্রিগেডে। থিও হার্নান্দেজ নামেন লুকাস ডিগনের পরিবর্তে। অপরদিকে, স্প্যানিশ ব্রিগেডেও বদল আসে। মিকেল ওয়ারজাবালের পরিবর্তে মাঠে আসেন ফেরান টোরেস। ম্যাচের ৭৮ মিনিটে, ফেরান টোরেসের হেডার বাইরে চলে যায়। এরপর ফ্রান্স চেষ্টা করেও আর খেলায় ফিরতে পারেনি। শেষপর্যন্ত, ২-০ গোলে ম্যাচ জিতে বিশ্বকাপের ফাইনালে চলে গেল স্পেন।
ফুটবল বিশ্বকাপের সব খবর সব আগে, শুধুমাত্র এশিয়ানেট নিউজ বাংলায়।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।