Ranji Trophy: বাংলা ক্রিকেটের প্রদীপ এখন সুদীপ ঘরামি (Sudip Gharami)। Ranji Trophy 2025-26S-এর কোয়ার্টার ফাইনালে অন্ধ্র প্রদেশের বিরুদ্ধে ২৯৯ রানের নজির গড়া ইনিংসের পর,এবার কল্যাণীর মাঠে সেমিফাইনালে অবিশ্বাস্য সেঞ্চুরি করলেন ২৬ বছরের সুদীপ।
Ranji Trophy: বাংলা ক্রিকেটের প্রদীপ এখন সুদীপ ঘরামি (Sudip Gharami)। Ranji Trophy 2025-26S-এর কোয়ার্টার ফাইনালে অন্ধ্র প্রদেশের বিরুদ্ধে ২৯৯ রানের নজির গড়া ইনিংসের পর,এবার কল্যাণীর মাঠে সেমিফাইনালে অবিশ্বাস্য সেঞ্চুরি করলেন ২৬ বছরের সুদীপ। সেমিফাইনালে জম্মু-কাশ্মীরের বিরুদ্ধে প্রথম দিনের শেষে সুদীপ অপরাজিত থাকলেন ১৩৬ রানে। বাংলার স্কোর ৫ উইকেটে ২৪৯ রান (এদিন ৭৯.৫ ওভার খেলা হয়)। দুজন ব্য়াটার (সুদীপ চ্য়াটার্জি ও সূরয সিন্ধু জয়সওয়াল) শূন্য রানে আউট হলেও সুদীপের অবিশ্বাস্য ইনিংসের সৌজন্যে ম্যাচের রাশ এখন বাংলার হাতেই। দলের রানের অধিকাংশই এল ঘরামির ব্য়াট থেকে। ভাল খেললেন শাহবাজ আহমেদ (৪২)। তবে দিনের খেলার একেবারে শেষ বলে শাহবাজ আউট হয়ে যান। অনুষ্টুপ (১৪) আউট হওয়ার পর নামেন শাহবাজ। ষষ্ঠ উইকেটে সুদীপ-শাহবাজ ৯৪ রান যোগ করেন। অধিনয়ক অভিমন্য়ু ঈশ্বরণ (৪৯) সেট হয়ে জম্মু-কাশ্মীরের তারকা পেসার আকিব নবির বলে বোল্ড হয়ে যান। ১ উইকেটে ৮৯ থেকে ৩ উইকেটে হয়ে গিয়ে বড় চাপে পড়ে গিয়েছিল বাংলা।
দুই ম্যাচ মিলিয়ে একই মাঠে খেললেন ৮২০টি বল
কিন্তু সেখান থেকে ত্রাতা হয়ে ওঠেন সুদীপ। এখনও পর্যন্ত ২২৭ বলে ১৩৬ রান করে অপরাজিত রয়েছেন, মেরেছেন ১৯টি বাউন্ডারি ও ১টি ওভার বাউন্ডারি। তাহলে আবার একটি ডবল সেঞ্চুরি অপেক্ষা করে রয়েছে? খেলার শেষে মুচকি হেসে সুদীপ জানালেন, ব্যক্তিগত মাইলস্টোন নিয়ে ভাবছেন না। দীর্ঘক্ষম ব্য়াট করে দলের রানটা বাড়ানোই এখন তার লক্ষ্য বলে সুদীপ জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত, কোয়ার্টার ফাইনালে এই কল্যামীর মাঠেই সুদীপ ঘরামি ৫৯৬টি বল খেলে ২৯৯ রানে আউট হয়েছিলেন। তার মানে গত কয়েক দিনের মধ্যে দুই ইনিংস মিলিয়ে সুদীপ মোট ৮২০টি বল খেলে ফেললেন।
৪০০ প্লাস রানের লক্ষ্যে বাংলা
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কল্যাণীর এই পিচে ৩৫০ প্লাস স্কোর ভাল হতে পারে। সেক্ষেত্রে আগামিকাল, সোমবার অন্তত লাঞ্চ পর্যন্ত সুদীপ-শাহবাজ জুটিকে টিকে থাকতে হবে। এদিন ২টি করে উইকেট পান ভূ-স্বর্গের দুই পেসার আকিব নবি ও সুনীল কুমার। আকিব আউট করেন অভিমন্যু ও সূরযকে। সুদীপ চ্য়াটার্জি ও শাহবাজ আউট হন বাঁ হাতি পেসার সুনীল কুমারের বলে। অনুষ্টুপকে এলবি আউট করে ফেরান আবিদ মুস্তাক।
প্রথম সেমিফাইনালে দুরন্ত সেঞ্চুরি কেএল রাহুল, দেবদূত পাদিক্কালের
রঞ্জি ট্রফির অন্য সেমিফাইনালে উত্তরাখণ্ডের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্য়াট করতে নেমে প্রথম দিনের শেষে চালকের আসনে কর্ণাটক। লখনৌয়ে প্রথম সেমিফাইনালে দুরন্ত হাঁকালেন কেএল রাহুল (১৪১) ও দেবদূত পাদিক্কাল (১৪৮ অপরাজত)। শ্বশুর সুনীল শেঠিকে লখনৌয়ের দর্শকাসনে বসে দেখলেন জামাই রাহুলের ৫টি ওভার বাউন্ডারি ও ১১টি বাউন্ডারির দুরন্ত ইনিংস। প্রথম দিনের শেষে কর্ণাটকের স্কোর ২ উইকেটে ৩৫৫ রান। অপরাজিত অবস্থায় মাঠ ছাড়েন দেবদূত ও অধিনায়ক করুণ নায়ার (৩৭)।


