গত ৩ নভেম্বর ভোট হয়েছিল আমেরিকার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের। ৩দিন পরই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল, নতুন প্রেসিডেন্ট হতে চলেছেন জো বাইডেন। কিন্তু, অবাস্তব ভিত্তিহীন সব অভিযোগ তুলে তাঁর হোয়াইট হাউসে আগমন আটকাতে চেয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু, শুক্রবার তাঁর সব আশাই শেষ হয়ে গেল।

শুক্রবার সন্ধ্যায় ক্যালিফোর্নিয়া প্রদেশও বাইডেনকে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি বলে মেনে আনুষ্ঠানিকভাবে মেনে নিল। সেখানকার ৫৫ ইলেক্টরই তাঁকে ভোট দেওয়ার জন্য প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ফলে জো বাইডেনের হাতে এখন আনুষ্ঠানিকভাবে ২৭৯ টি ইলেক্টোরাল কলেজের ভোট এসে গেল। মার্কিন রাষ্ট্রপতি হতে গেলে দরকার ২৭০টি। কাজেই, আরও কয়েকটি প্রদেশের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বাকি থাকতেই, প্রেসিডেন্ট হওয়াটা নিশ্চিত হয়ে গেল বাইডেনের।

আরও পড়ুন - রোহিঙ্গাদের 'ভাসমান কারাগার'এ পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ, খাদের মুখে মানবাধিকার, দেখুন ছবিতে ছবিতে

আরও পড়ুন - বিশ্বের পঞ্চম সেরা নৌশক্তি ভারতীয় নৌসেনা, নেভি ডে-তে জেনে নিন গর্বের ১০ তথ্য

আরও পড়ুন - 'কৃত্রিম সূর্য' তৈরি করে ফেলল চিন, তাপমাত্রা আসল সূর্যের থেকেও ১০ গুণ বেশি

আগামী ১৪ ডিসেম্বর নিজ নিজ প্রদেশে পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট বেছে নিতে ভোট দেবেন ইলোক্টোরাল কলেজের সদস্যরা। তারপর ৬ জানুয়ারি মার্কিন কংগ্রেস একটি যৌথ অধিবেশন করে পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্টের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবে। ফেডারেল আইন অনুসারে, প্রেসিডেন্টের মার্কিন কংগ্রেসের দুই কক্ষেরই সমর্থন দরকার। তা না পেলে ইলেক্টোরাল কলেজের ভোট গণনা করা হবে। যা এই ক্ষেত্রে বাইডেনের পক্ষে রয়েছে।

কাজেই, ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষে হোয়াইট হাউসে থেকে যাওয়ার আর কোনও রাস্তাই রইল না। নির্বাচনে বাইডেনের জয় স্পষ্ট হলেও, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ট্রাম্প ভোটে ব্যাপক জালিয়াতি হয়েছে বলে অভিযোগ করে যাচ্ছিলেন। যদিও ,সেই দাবিকর পক্ষে কোনও প্রমাণ তিনি দিতে পারেননি। বেশ কয়েকটি রাজ্যের আদালতে তাঁর প্রচার শিবির এবং তাঁর সমর্থকদের পক্ষ থেকে বাইডেনের জয়কে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছিল। তবে প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাদের আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে আদালত। শুক্রবারও নেভাডা ও মিনেসোটার আদালত তাদের দুটি মামলা খারিজ করে দিয়েছে। তাই, ট্রাম্প এখন নিশ্চিন্তে ব্যাগ গোছাতে পরেন।