সংক্ষিপ্ত
মোদী ও বাইডেনর মধ্যে প্রথম দ্বিপাক্ষিক আলোচনার পরই জারি করা যৌথ বিবৃতিতে ২৬ /১১ মুম্বই হামলার অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান দানান হয়েছে।
ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (India-US) শনিবার সীমান্ত সন্ত্রাসের তীব্র নিন্দা করেছে। পাশাপাশি ২৬/১১ মুম্বই হামলার (26/11 Mumbai Terror Attack) অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছে। শনিবারই হোয়াইট হাউসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ( PM Narendra Modi-US President Joe Biden Meet) হয়। বৈঠকের পরেই একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। তাতে বিশ্ব সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ করবে বলে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
মোদী ও বাইডেনর মধ্যে প্রথম দ্বিপাক্ষিক আলোচনার পরই জারি করা যৌথ বিবৃতিতে ২৬ /১১ মুম্বই হামলার অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান দানান হয়েছে। সীমান্ত সন্ত্রাসেরও নিন্দা করেছেন দুই রাষ্ট্রপ্রধান। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে দুই যে যৌথভাবে কাজ করবে তাও নিশ্চিত করা হয়েছে পাশাপাশি চিহ্নিত সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীগুলির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে। এই হামলার অন্যতম চক্রী পাকিস্তানের মদত পুষ্ট জঙ্গি সংগঠন জামাত - উদ-দাওয়ার প্রধান হাফিজ সইদ। জামাত লস্কর - ই - তৈবার সামনে থেকে কাজ করে। মুম্বই হামলারর জন্য ভারতের তদন্তকারী আধিকারিকরা লস্কর ও জামাত নেতাদেরই দাবি করেছেন। হাফিজ বর্তমানে পাকিস্তানের কোট-লাখপত জেলে বন্দি রয়েছে। সূত্রের খবর এই জেলে প্রবল নিরাপত্তার মধ্যেই রীতিমত জামাই আদরেই রাখা হয়েছে হাফিজকে। ভারত একাধিকবার হাফিকে তুলে দেওয়ার কথা বললেও পাকিস্তান তাতে কান দেয়নি। হাফিজ রাষ্ট্রসংঘের চিহ্নিত সন্ত্রাসবাদী। তার মাথার দাম ধার্য করা হয়েছে ১০ মিলিয়ন ডলার। গত বছর জুলাই মাস থেকেই সন্ত্রাসের জন্য অর্থ সংগ্রহ মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
চিন পাকিস্তানের মোকাবিলায় বড় পদক্ষেপ প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের, ১১৮টি 'নতুন' অর্জুন তৈরির বরাত
Quad Summit 2021: পর্দার আড়াল থেকে দক্ষিণ এশিয়ায় সন্ত্রাসবাদে মদত, কড়া বার্তা পাকিস্তানকে
আলাপ করুন স্নেহা দুবের সঙ্গে, রাষ্ট্রসংঘে মহিলা আধিকারিক এক হাত নিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে
২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর পাকিস্তানের জঙ্গি আজমল কাসভসহ একাধিক জঙ্গি ভারতে অনুপ্রবেশ করে। পাশাপাশি ছত্রপতি শিবাজি রেলস্টেশন, তাজহোটেলসহ একাধিক জায়গায় হামলা চালায়। ভয়ঙ্কর সেই হামলায় ৬ আমেরিকানসহ ১৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এই হামলার জীবিত জঙ্গি হিসেবে একমাত্র আজমল কাসভকেই গ্রেফতার করেছিল ভারত। বাকিরা সকলেই নিরাপত্তারক্ষীদের গুলিতে নিহত হয়েছিল। লম্বা বিচারপক্রিয়া পেরিয়ে কাসভকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বিচারে আরও একাধিক জঙ্গিদের নাম সামনে আসে। কিন্তু তাদের এখনও বিচার প্রক্রিয়ার মধ্যেই আনা যায়নি।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মতই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, সন্ত্রাসবাদের তীব্র সমালোচনা করেছেন। পেছন থেকে সন্ত্রাসবাদকে মদত দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে তীব্র সমালোচনা করেছেন। দুই দেশই নাম না করে নিশানা করেছেন পাকিস্তানকে। জঙ্গি গোষ্ঠীগুলিকে অর্থিক ও সামরিক সহযোগিতা না করার ওপরেও জোর দিয়েছেন। পাশাপাশি জঙ্গিদের মদত দেওয়া থেকেই বিরত থাকার কথা বলেছেন।