Ayatollah Ali Khamenei: ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথ পদক্ষেপে তেহরানে তাঁর সদর দফতরের কাছে একটি লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণ চালিয়েছে বলেও অভিযোগ। হামলার সময় খামেনি তাঁর সদর দফতরে ছিলেন কিনা তা নিয়েও সংশয় রয়েছে। 

একদিনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি। অন্যদিকে ইজরায়েলের আক্রমণ। এই পরিস্থিতিতে কোথায় রয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে গোটা বিশ্ব. তবে ইরানের একাংশের কথায় নিজের গোপন ও সুরক্ষিত ডেরায় আত্মগোপন করে রয়েছে খামেইনি।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথ পদক্ষেপে তেহরানে তাঁর সদর দফতরের কাছে একটি লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণ চালিয়েছে বলেও অভিযোগ। হামলার সময় খামেনি তাঁর সদর দফতরে ছিলেন কিনা তা নিয়েও সংশয় রয়েছে। এক ইরানি আধিকারিক জানিয়েছেন, খামেইনি নিজের গোপন ডেরায় সুরক্ষিত রয়েছেন।

রয়টার্স সূত্রের খবর ৮৬ বছরের খামেইনি তেহরানে নেই। তিনি নিরাপদ স্থানে রয়েছেন। তেহরানের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, খামেইনির দফতর ইজরায়েলি বোমার হামলা হয়েছে। আগুন আর ধোঁয়া দেখা যাচ্ছে।

ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইজরয়েল কাটজ হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, ইজরায়েল ইরানের ওপর হামলা চালিয়েছে। এটি উদ্দেশ্যমূলক আক্রমণ। তিনি আরও বলেছেন, এই হামলাটি হঠাৎ করে ঘয়নি। তেহরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে ইরান, ইরজায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রীতিমত উত্তেজনা বাড়ছে। ইজরায়েলের হামলার তারই প্রতিফলন মাত্র।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার ইরানকে "খুব কঠিন" এবং "খুব বিপজ্জনক" বলে মন্তব্য করেছেন। পরমাণু আলোচনা নিয়ে আমেরিকা তার পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে তা ভাবছে। মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা থাকা সত্ত্বেও তিনি শান্তিপূর্ণ সমাধানের ওপরই জোর দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার জেনেভায় ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে তৃতীয় দফার আলোচনা হয়েছে এবং আজ আরও এক দফা বৈঠক হওয়ার কথা।

ইরান নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্য

টেক্সাসে এক সমাবেশে ভাষণ দেওয়ার সময় ট্রাম্প বলেন, "আমাদের একটা বড় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আপনারা জানেন, এটা সহজ নয়। আমাদের একটা খুব বড় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এমন একটা দেশ, যারা গত ৪৭ বছর ধরে মানুষের হাত-পা উড়িয়ে দিচ্ছে, মুখ নষ্ট করে দিচ্ছে। ওরা জাহাজ উড়িয়েছে, মানুষ মেরেছে। শুধু আমেরিকান নয়, আরও অনেক দেশের মানুষ মেরেছে।"