গোটা বিশ্বের করোনা আক্রান্তের প্রায় এক তৃতীয়াংশ মার্কিন মুলুকের। প্রতিদিনই সংক্রমণের গ্রাফ উর্দ্ধমুখী। ইতিমধ্যে আমেরিকায় আক্রান্তের সংখ্যা ১৯ লক্ষ পেরিয়ে দ্রুত ২০ লক্ষের দিকে ছুটছে। মারণ ভাইরাস দেশটিতে প্রাণ কেড়েছে ১ লক্ষ ১১ হাজারেরও বেশি মানুষের। এরমধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে সাংবাদিক সম্মেলনে মাস খানেক আগে দাবি করেছিলেন চলতি বছরের শেষেই করোনা ভ্যাকসিন আবিষ্কার করে ফেলবে আমেরিকা। এবার আরও বড় দাবি করে বসলেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্টের ঘোষণা, ইতিমধ্যে আমেরিকা নাকি করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য ভ্যাকসিনের ২০ লক্ষ ডোজ প্রস্তুত করে ফেলেছে। ভ্যাকসিনটি করোনা মোকাবিলায় কার্যকর প্রমাণিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এর ব্যবহার শুরু হয়ে যাবে।

 

 

শুক্রবার হোয়াইট হাউসে সংবাদ বৈঠকে ট্রাম্প দাবি করেন, ‘ভ্যাকসিন তৈরিতে অসাধারণ অগ্রগতি হয়েছে। আমাদের ২০ লাখেরও বেশি ডোজ তৈরি আছে। নিরাপদ প্রমাণিত হলে, সেই ভ্যাকসিন দেওয়া হবে।' তিনি বলেন, ‘ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে আমরা খুবই চমৎকার কাজ করছি। আমার মনে হয় আমরা কিছু ইতিবাচক চমক ও প্রতিষেধক পেতে চলেছি।’

বিশ্বে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৬৮ লক্ষ ছাড়াল, গবেষণা বলছে সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছেন টেকো ব্যক্তিরা

এবার ইতালিকে সরিয়ে বিশ্বে করোনা সংক্রমণে ৬ নম্বরে ভারত, দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যায় ফের নয়া রেকর্ড

বাবার বিপরীতে হাঁটছেন ট্রাম্প কন্যা, বর্ণবৈষ্যম্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পাশে দাঁড়ালেন আন্দোলনকারীদের

করোনার প্রতিষেধক তৈরিতে ৭ থেকে ৮টি মার্কিনি সংস্থা কাজ করছে। তবে সম্প্রতি ভ্যাকসিন উৎপাদনের জন্য ৫ টি প্রতিষ্ঠানকে চূড়ান্ত করেছে মার্কিন প্রশাসন। তবে ২০ লক্ষ ডোজ কোন প্রতিষ্ঠানটি তৈরি করেছে সেটি জানাননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এর আগে চলতি সপ্তাহেই হোয়াইট হাউসের স্বাস্থ্য উপদেষ্ঠা ডা. অ্যান্টনি ফাউচি  জানিয়েছিলেন, অন্তত চারটি ট্রায়াল হয়েছে ভ্যাকসিন তৈরির। ২০২১ সালের  প্রথমার্ধের মধ্যে ভ্যাকসিন পুরোপুরি তৈরি হয়ে যাবে বলে আশাপ্রকাশ করেছেন তিনি। যদিও ট্রাম্পের দাবি করা ২০ লক্ষ ডোজ প্রস্তুতির বিষয়টি এড়িয়ে গিয়েছেন ফাউচি।