জামাকাপড়ের অর্ডার দিয়েছিলেন। তাও আবার কোনও পাতি কোম্পানিতে, বিশ্ববিখ্যাত নাইকি কোম্পানিতে। নির্ধারিত সময় জামাকাপড় এসেছে ঠিকই। কিন্তু সেই ডেলিভারি বাক্সে কিলবিল করছিল কয়েক ডজন পোকা। যার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জানিয়েছেন  নিউইয়র্কের বাসিন্দা বেঞ্জামিন স্মিথ। 

ফেসবুকে সেই পোকাভর্তি জামাকাপড়ের ডেলিভারি বাক্সের ছবি তুলে পোস্ট করেছেন বেঞ্জামিন। সেখানে লিখেছেন তিনি নাইকির কাছে কিছু জামাকাপড় অর্ডার করেছিলেন। আর সেই ডেলিভারি বাক্সটি হাতেও পেয়েছেন। কিন্তু বাক্সটি খুলতেই দেখেন প্ল্যাস্টিকের প্যাকেটে রয়েছে জামাকাপড়। আর সেই প্যাকেটের মধ্যেই বেশ কয়েকটি পোকা কিলবিল করে ঘুরে বেড়াচ্ছে। প্যাকেটটি বন্ধ থাকায় ডেলিভারির পথে সেই কীটগুলি তাতে ঢোকেনি বলেই একপ্রকাশ নিশ্চিত হয়েছেন তিনি। তাঁর অনুমান প্যাকেডিংএর সময় সংস্থার দফতরেই এই ঘটনা ঘটেছে। নাইকিকে তিনি পুরো বিষয়টি জানিয়েছেন। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। তাই বাধ্য হয়েই ফেসবুককেই হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছেন। যদি কোনও সাহায্য পাওয়া যায়। 

সাধারণভাবে বেঞ্জামিন অনুমান করেছেন তাঁর ডেলিভারি বাক্সে ২৫-৩০টি পোকা ঘুরে বেড়াচ্ছিল। নিজেকে নাইকির সুপার ফ্যানবয় হিসেবেই দাবি করে করগুলি প্রশ্ন তুলেছেন তিনি,  তাঁর নতুন জামাকাপড় কী স্যানিটাইজ করে দেবে আন্তর্জাতিক মানের এই সংস্থাটি। তিনি যদি জামাকাড়পগুলি ফিরত দিতে চান তবে কি সংস্থাটি তাঁর টাকাপয়সা ফিরত দেবে। নাইকির গ্রাহক পরিষেবার সঙ্গে কথা বলেও তেমন কোনও উত্তর পাননি তিনি। তাই খুব চিন্তিত হয়েই বলেছেন নাইকির সামগ্রী তিনি পছন্দ করেন। কিন্তু জীবতি কীটগুলি কী করে তিনি ধারণ করবেন শরীরে? তবে তিনি জানিয়েছেন করোনাভাইরাসের সংক্রমণের জন্য বিশেষ কোনও পদক্ষেপই তিনি নিতে পারছেন না। তবে আগামী জামাকাপড়গুলি পরিচ্ছন্ন করেছেন তিনি।