গল্প মনে হলেও এটাই বাস্তব। এক মহিলাকে গুলি করার পিছনে কাঠগড়ায় নাম উঠল সারমেয়র। পুলিশি তদন্তেও পাওয়া গেল কুকুরের গুলি চালানোর প্রমাণ। সব শুনে হতবাক দুনিয়া। এমনই এক ঘটনা ঘটেছে আমেরিকার ওকলাহোমায়।

প্রথমে ফোনের ওপ্রান্তের কথা শুনে বিশ্বাস হয়নি পুলিশের। ভেবেছিলেন নিজেই গুলি করে কুকুরের নামে চাপিয়ে দিচ্ছেন ওই প্রবীণ। কিন্তু ঘটনাস্থলে যেতেই ভুল ভাঙে পুলিশের। তারা দেখতে পান, গাড়ির সেন্টার কনসোলের মধ্যে পড়ে রয়েছে গুলির খোল। পাশাপাশি গুলি চলায় পুড়ে গিয়েছে সেন্টার কনসোলের কিছুটা অংশ। কিন্তু গুলিটা যে কুকুরের মাধ্যমেই চলেছে, সেটা বিশ্বাস হয়নি পুলিশের। 

ঠিক কী হয়েছিল সেদিন ? আক্রান্ত টিনা স্প্রিংগার জানান,গাড়ি নিয়ে সেদিন রাস্তায় বেড়িয়েছিলেন তিনি। পাশের সিটেই বসেছিলেন ৭৯বছরের ব্রেন্ট পার্কস। ব্রেন্টের সঙ্গে গাড়িতে উপস্থিত ছিল হলুদ রঙা ল্যাব্রাডর মলি। এক সময় সামনে ট্রেন আসতে দেখে হঠাৎই গাড়ির ব্রেক কষেন টিনা। এরপরই পায়ে মারাত্মক ব্যথা অনুভব করেন তিনি। নজর ফেরাতেই দেখতে পান পা দিয়ে অঝোরে রক্ত পড়ছে। পা ফুঁড়ে ঢুকে গিয়েছে গুলি। কিছুক্ষণের মধ্যেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয় টিনাকে। পুলিশ তদন্ত শুরু করলে জানা যায় আসল তথ্য। পার্কস জানান, সামনে থেকে ট্রেন যেতে দেখে সেন্ট্রাল কনসোলের মধ্যে ঝাঁপিয়ে পড়ে ল্যাব্রাডর মলি। সেখানেই ২২ক্যালিবারের হ্যান্ডগান রাখা ছিল। ট্রিগারে চাপ পড়তেই ছিটকে বেরিয়ে আসে গুলি। যা থেকেই যাবতীয় বিপত্তি। 

পুলিশি জেরায় একই কথা বলেন ব্রেন্ট ও টিনা। ফলে এর পিছনে কোনও সন্দেহের কিছু খুঁজে পায়নি পুলিশ। কিন্তু ব্রেন্টের একটা কথা এখনও কানে লেগে রয়েছে পুলিশের। কে গুলি চালিয়েছে প্রশ্ন করায় এখনও কুকুর গুলি চালিয়েছে বলে চলেছেন সেই প্রবীণ।