- Home
- World News
- International News
- Pakistan Fuel Crisis: এবার কি বাড়ি থেকেই চলবে অফিস? জ্বালানি বাঁচাতে মরিয়া পাকিস্তান
Pakistan Fuel Crisis: এবার কি বাড়ি থেকেই চলবে অফিস? জ্বালানি বাঁচাতে মরিয়া পাকিস্তান
হরমুজ প্রণালীতে উত্তেজনা বাড়ছে। এর মধ্যেই পাকিস্তান জ্বালানি বাঁচাতে দেশজুড়ে ওয়ার্ক-ফ্রম-হোম চালু করার কথা ভাবছে। এটা কি বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহের সংকটের ইঙ্গিত? জানুন পুরো ঘটনা।
17

Image Credit : ChatGPT
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ছে, যার প্রভাব পড়ছে বিভিন্ন দেশের জ্বালানি সুরক্ষায়। এর মধ্যেই পাকিস্তান সরকার দেশজুড়ে ওয়ার্ক-ফ্রম-হোম নীতি চালুর কথা ভাবছে। তাদের মূল উদ্দেশ্য হলো, আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলে বাধা বাড়লে জ্বালানির ব্যবহার কমানো এবং পেট্রোলিয়ামের জোগান স্থিতিশীল রাখা। সরকারি আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, এই পদক্ষেপ হঠাৎ করে নেওয়া হচ্ছে না, বরং এটি একটি বড় জ্বালানি পরিচালন পরিকল্পনার অংশ। সরকার হরমুজ প্রণালীর (Strait of Hormuz) পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে, যা বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহণের জলপথ।
27
Image Credit : X
পাকিস্তান হঠাৎ কেন জ্বালানি বাঁচানোর পরিকল্পনা করছে? সম্প্রতি উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ায় তেলবাহী জাহাজের চলাচল ব্যাহত হওয়ার খবর আসছে। এই সমুদ্রপথ দিয়েই বিশ্বের বেশিরভাগ তেল সরবরাহ হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখানে দীর্ঘ সময় ধরে বাধা তৈরি হলে তেলের জোগান, জাহাজের ভাড়া এবং ডেলিভারির সময়ে বড় প্রভাব পড়তে পারে। এই কারণেই পাকিস্তান সরকার আগে থেকেই সম্ভাব্য সংকটের প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং জ্বালানি খরচ কমানোর উপায় খুঁজছে।
37
Image Credit : X
পাকিস্তানে কি সত্যিই জ্বালানির অভাব দেখা দেবে? সরকারি আধিকারিকদের মতে, এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। পাকিস্তানের কাছে বর্তমানে প্রায় চার সপ্তাহের পেট্রোল ও ডিজেল মজুত রয়েছে। অর্থাৎ, এক্ষুনি বড় কোনও ঘাটতির আশঙ্কা নেই। তবুও, আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের পথে সমস্যা বাড়লে যাতে দেশে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত না হয়, সরকার তা নিশ্চিত করতে চাইছে। এই কারণেই অর্থমন্ত্রী মুহাম্মদ আওরঙ্গজেবের (Muhammad Aurangzeb) নেতৃত্বে একটি উচ্চ-পর্যায়ের সরকারি কমিটি সম্প্রতি দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছে। এই বৈঠকে তেল মজুতের অবস্থা, লিকুইফায়েড ন্যাচারাল গ্যাস (LNG) এবং লিকুইফায়েড পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (LPG) সরবরাহ নিয়ে আলোচনা হয়।
47
Image Credit : X
হরমুজ প্রণালীকে (Strait of Hormuz) কেন এত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়? এটি বিশ্বের অন্যতম কৌশলগত জলপথ, যা ইরান ও ওমানের মধ্যে অবস্থিত একটি সংকীর্ণ প্রণালী। জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, সমুদ্রপথে বিশ্বের প্রায় ২০% তেল এই পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়। এখানে জাহাজ চলাচল থেমে গেলে বা ধীর হয়ে গেলে তার সরাসরি প্রভাব তেলের দাম, জাহাজের ভাড়া এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাণিজ্যের ওপর পড়তে পারে।
57
Image Credit : X
পাকিস্তানের তেল সরবরাহ কি এই রুটের ওপর নির্ভরশীল? পাকিস্তান তার জ্বালানির চাহিদার একটি বড় অংশ আমদানির মাধ্যমে পূরণ করে এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের এই জাহাজ পথের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল। বিশেষ করে, কুয়েত থেকে আসা ডিজেলের কার্গোগুলি দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির অধীনে সরবরাহ করা হয়। যদি এই সমুদ্রপথে জাহাজ আসতে দেরি হয় বা নিরাপত্তার ঝুঁকি বাড়ে, তবে দেশের জ্বালানি সরবরাহে তার প্রভাব পড়তে পারে।
67
Image Credit : X
সাধারণ মানুষকে কি জ্বালানি মজুত করতে বারণ করা হচ্ছে? সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এখনই সাধারণ মানুষের জ্বালানি মজুত করা বা আতঙ্কিত হয়ে কেনাকাটা করা উচিত নয়। এর পাশাপাশি, অয়েল অ্যান্ড গ্যাস রেগুলেটরি অথরিটি তেল বিপণন সংস্থাগুলিকে পুরনো বিক্রির পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে কিছু সময়ের জন্য খুচরো জ্বালানি সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করার অনুমতি দিয়েছে। এর উদ্দেশ্য হল, দামের ওঠানামার সময়েও যাতে বাজারে পেট্রোল ও ডিজেলের জোগান স্বাভাবিক থাকে।
77
Image Credit : X
ওয়ার্ক-ফ্রম-হোম কি সত্যিই চালু হতে পারে? সরকারি সূত্র অনুযায়ী, পরিস্থিতি আরও গুরুতর হলে সরকার একাধিক পদক্ষেপ নিতে পারে। যেমন, সরকারি অফিসে ওয়ার্ক-ফ্রম-হোম চালু করা, পরিবহণ ব্যবহারে পরিবর্তন আনা, জ্বালানি সরবরাহের বিকল্প পথ খোঁজা এবং আঞ্চলিক হাবের মাধ্যমে আমদানি বাড়ানো। আধিকারিকরা আপাতত পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন এবং প্রাদেশিক প্রশাসনের সঙ্গে মিলে পরবর্তী কৌশল তৈরি করছেন।
Latest Videos

