পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ঘটনার পর তিন দিন ধরে ওয়েভ সিটি পুলিশ মামলা নথিভুক্ত করেনি। কমিশনারের কাছে অভিযোগ জানানোর পর মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশ ভারতীয় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা রুজু করেছে তিন-চার অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে। 

উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদের বামহেটা এলাকায় এক নৃশংস ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘুমন্ত অবস্থায় এক ব্যক্তির পুরুষাঙ্গ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় বৃহন্নলাদের যোগসাজশ থাকার সন্দেহে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

বিভিন্ন সংবাদ সূত্রে ঘটনার বিবরণ মেলে। জানা যায়, ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে ৪৮ বছরের সঞ্জয় যাদব নামে এক ব্যক্তি বাড়িতে ঘুমোচ্ছিলেন। বাড়িতে ঢুকে সঞ্জয়কে জোর করে মাদক খাইয়ে অজ্ঞান করে দেয় চার অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতী। ওই ব্যক্তি ঘুমিয়ে পড়তেই তারা এরপর সঞ্জয়ের পুরুষাঙ্গ কেটে নেয়। এমনকি সঞ্জয়ের শরীরে গরম জল ঢেলে দেওয়া হয় তার জ্ঞান ফেরানোর জন্য। জানা যায়, পালানোর আগে 'পারো' নামে এক বৃহন্নলাকে ফোন করে কাজ শেষ হওয়ার কথা জানায় দুষ্কৃতীরা । আর এই ক্লু নিয়েই তদন্ত শুরু পুলিশের।

জখম সঞ্জয়ের ভাগ্নের অভিযোগ, চার দুষ্কৃতী একজন বৃহন্নলার নির্দেশে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ঘটনার পর তিন দিন ধরে ওয়েভ সিটি পুলিশ মামলা নথিভুক্ত করেনি। কমিশনারের কাছে অভিযোগ জানানোর পর মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশ ভারতীয় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা রুজু করেছে তিন-চার অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এই ঘটনার জোরদার তদন্ত চলছে। সঞ্জয় যাদব বর্তমানে মিরাটের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। হাসপাতাল সূত্রে খবর তার অবস্থা গুরুতর। পুলিশ সন্দেহভাজনদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে। এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের কঠোর শাস্তির আশ্বাস দিয়েছে।

এই নৃশংস ঘটনা ঘটার পর আক্রান্ত ব্যক্তির পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তিন থেকে চারজন অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় ওয়েভ সিটি থানায় মামলা রুজু করেছে। ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ (গ্রামীণ অঞ্চল) সুরেন্দ্রনাথ তিওয়ারি বলেন, ‘এখনও পর্যন্ত সন্দেহভাজনদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করতে পুলিশের বিশেষ দল তদন্ত শুরু করেছে। পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলার ফলে ওই ব্যক্তির অবস্থা যথেষ্ট গুরুতর থাকার কারণে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মামলার তদন্ত চলছে দ্রুতগতিতে।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।