৩০ জানুয়ারি মতুয়াদের মন রাখতে বাংলায় আসছেন অমিত শাহ। বিজেপির সূত্রের খবর, ৩০ জানুয়ারি বাংলায় ঠাকুরনগরে মতুয়া সম্প্রদায়ের কাছে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। আর সেই কর্মসূচির জন্য সোমবার প্রস্তুতি শুরু করল রাজ্য-বিজেপি। সোমবার দুপুরেই ঠাকুরনগরে যাচ্ছেন রাজ্য বিজেপির পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয় বর্গীয় এবং সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায়। 

আরও পড়ুন, আজ ময়দানে মুখোমুখি ২, একদিকে নন্দীগ্রামে মমতার জনসভা, অন্যদিকে কলকাতায় পদ্ম ফোঁটাবে শুভেন্দু  

 

 

 বিজেপির কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ মতুয়া ভোট

 

নীলবাড়ি দখলে বিজেপির কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ মতুয়া ভোট। দেলর হিসেবে প্রায় ৩০ টি বিধানসভা আসনের ফলাফলে বড়সড় ফারাক এনে দিতে পারেন গুরু হরিচাঁদ ঠাকুরের অনুগামীরা। এর মধ্যে ১৪ টি আসনই রয়েছে বিজেপি নেতা বনগাঁ এবং রাণাঘাট লোকসভা একাকাতেই। দুই আসন মিলিয়ে লোকসভা নির্বাচনের ফল অনুযায়ী ১২ টি আসনে এগিয়ে বিজেপি। বাংলার সকল মতুয়া সম্প্রদায়ের শ্রদ্ধা কেন্দ্র ঠাকুরনগরে। আর সেই ঠাকুরনগরেই মতুয়া সম্প্রদায়ের কাছে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। ঠাকুরবাড়ির কামনা সাগরের পাশেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভা হওয়ার কথা। উল্লেখ্য, এই সভা থেকে সিএএ অর্থাৎ নাগরিকত্ব আইন নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা করে জানাবেন অমিত শাহ।

মতুয়া সম্প্রদায়ের মন জয়ে মমতা বনাম শাহ

 

আরও পড়ুন, আজ অভিষেকের গড়ে শোভন-বৈশাখী, বিষ্ণুপুরে রোড শো থেকে কী বার্তা 

 

"

 

প্রসঙ্গত , ডিসেম্বরে বাংলায় দুইদিনের সফরে আসলেও কর্মসূচিতে বাদ যায়  উত্তর ২৪ পরগণা। তাই এবার বাংলায়  এসে সবার আগে ঠাকুরনগরে মতুয়া সম্প্রদায়ের কাছে যাবেন শাহ। এদিকে তা নিয়ে যথেষ্ট জল ঘোলাও হয়। ছন্দ কাটেন বনগাঁর বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। মতুয়াদের নাগরিকত্বের প্রশ্নে কেন্দ্রের ভূমিকা আরও জোরদার করতে প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনগাঁয়া বিশাল সমাবেশ করে মতুয়া সম্প্রদায়ের মন জয়ের চেষ্টা করেছেন।  'মতুয়ারা যে এদেশেরই নাগরিক এবং আলাদা করে তাঁদের আর কোনও পরিচয় পত্রের দরকার নেই', তা দৃঢ়ভাবে তাঁদের বুঝিয়ে এসেছেন মমতা। মতুয়াদের প্রতি এই মনভাবকে স্বাগত জানান আবার বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। আর পরেই জল ঘোলা হয়। তবে এবার সেই সবকিছুকে ঠিক করতে নতুন বছরে মতুয়াদের দেশে পাড়ি দেবেন অমিত শাহ।