তৃতীয় এবং চতুর্থ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে বিজেপি। একুশের ভোটকে সামনে রেখে দ্বিতীয় দফায় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল কংগ্রেস। তৃণমূল এবং বিজেপিতে যখন তারকা প্রার্থীর সংখ্যা অনেক বেশি, তখনও কংগ্রেস ভরসা রাখল অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদদের উপরেই। এদিন মোট ৩৪ টি আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে কংগ্রেস। তবে তালিকায় নাম নেই দীপা দাশমুন্সির।

আরও পড়ুন, 'শরীরের থেকেও গণতন্ত্রের যন্ত্রনা অনেক বেশি', হুইলচেয়ারে তীব্র ব্য়থাকে সরিয়ে বার্তা মমতার 


সুজাপুর থেকে প্রার্থী পদে ইশা খান, জলপাইগুড়িতে সুখবিলাস বর্মা প্রার্থী পদে দাঁড়িয়েছেন।  ২০১৬ এর পরিসংখ্যা অনুযায়ী যে সকল প্রার্থীরা জিতেছিলেন তাঁদের প্রত্যেককেই টিকিট দিয়েছে কংগ্রেস।  তবে সামান্য অদল বদলও হয়েছে। মুর্শিদাবাদের বড়ঞ্চায় প্রাতীমা রজকের বদলে এবার প্রার্থী করা হয়েছে অধীর ঘনিষ্ঠ শীলাদিত্য হালদারকে। এবারও চাঁপদানি থেকেই প্রার্থী দাঁড়িয়েছেন আব্দুল মান্নান। তবে একুশের ভোটের প্রার্থী তালিকায় নাম নেই দীপা দাশমুন্সির।

 

আরও পড়ুন, নজরে অধীর গড়, মুর্শিদাবাদে আসন দখলে পিকের আইপ্যাক টিমের রুদ্ধদ্বার বৈঠক 

 

বহরমপুর থেকে মনোজ চক্রবর্তী, সিতাই থেকে কেশব চন্দ্র রায়, তুফানগঞ্জ থেকে রবীন রায়, সুজাপুরে ইশা খান, ফারাক্কা মইনুল হক, সুতিতে হুমায়ুন রেজা, ললগোলাতে আবু হেনা, রাণিনগরে ফিরোজ বেগম, কান্দিতে সৈফুল আলম খান, ভারতপুরে কমলেশ চট্টোপাধ্য়ায়, আলিপুরদুয়ারে দেবপ্রসাদ রায়, মাটিগড়া নকশালবাড়িতে শঙ্কর মালাকার, ফাঁসিদেওয়াতে সুনীল চন্দ্র তিরকিস রাণীগঞ্জে মোহিত সেনগুপ্ত, চঞ্চলে আসিফ মেহবুব, হরিশচন্দ্রপুরে আলম মোস্তাক প্রার্থী পদে দাঁড়িয়েছেন। পাশপাশি সুতিতে হুমায়ুন রেজা, অলবেরুনি জুলকারনৈন, মানিকচকে মহম্মদ মোত্তাকিন আলম, মালদায় ভূপেন্দ্র নাথ হালদার, বেলডাঙায় শেখ সাফিউজ্জামান, বহরমপুরে মনোজ চক্রবর্তী, ক্যানিংয়ে পশ্চিমে প্রতাপ মন্ডল, বজবজে শেখ মুজিবর রহমান, হাওড়ার মধ্য়ে পলাশ ভান্ডারি, শ্যামপুরে অমিত চক্রবর্তী, আমতায় অসিত মিত্র, উদয়নেপুরে অলোক কোলে, শ্রীরামপুরে অলোক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়, সপ্তগ্রামে পবিত্র দেব, ধনেখালিতে অর্নিবান সাহা, পুরসুরাতে মনিকা মল্লিকা ঘোষ, হাসনে মিলটন রসিদ।

আরও পড়ুন, তৃতীয়-চতুর্থ দফার প্রার্থী চূড়ান্ত বিজেপির, কেন নাম নেই মিঠুনের, জানুন বিস্তারিত 


অধীর চৌধুরি জানিয়েছেন, 'নির্বাচনী জোটের বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে স্বৈরাচারী শক্তি কখনই চাইছিল না বাম-কংগ্রেসের এই জোট হোক। আসন সমঝোতা নিষ্পত্তি হয়েছে। কে কত আশন পেলাম তা এখনই বলবো না। তার একটাই কারণ, আইএসএফ এর সামনে আসা। যে রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে, তাঁদের জন্য আমেদের কিছুটা জায়গা ছাড়তে হয়েছে।'