আত্মহত্যাই করেছেন বিজেপির দিনহাটার মণ্ডল সভাপতি। গত সপ্তাহে স্থানীয় এক পশু হাসপাতালের বারান্দায় তাঁর ঝুলন্ত দেহ মিলেছিল। যা নিয়ে তৈরি হয়েছিল তীব্র রাডনৈতিক চাপান উতোর। তৃণমূল আশ্রীত দুষ্কৃতীরাই ওই বিজেপি নেতাকে হত্যা করে ঝুলিয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছিল গেরুয়া শিবির। কিন্তু, পুলিশের রিপোর্টে আত্মহত্যার তত্ত্বই দেওয়া হয়েছিল। এদিন নির্বাচন কমিশন নিযুক্ত রাজ্যের বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবেও তাঁর রিপোর্টে সেই কথাই জানিয়েছেন বলে সূত্রের খবর।

নিহত বিজেপি মণ্ডল সভাপতি অমিত সরকারের রহস্য মৃত্যুকে ঘিরে গত বুধবার রীতিমতো রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল কোচবিহারের দিনহাটা। সরাসরি তৃণমূল প্রার্থী উদয়ন গুহর দিকেআঙুল তুলেছিল বিজেপি। ভেঙে দেওয়া হয়েছিল তাঁর কার্যালয়। দেহ উদ্ধারের সময়ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছিলেন বিজেপি কর্মীরা। কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুঁড়তে বাধ্য হয়েছিল পুলিশ। বিজেপি-র পক্ষ থেকে ঘটনার সিবিআই তদন্তের দাবি তোলা হয়।

আরও পড়ুন - দলবদলুদের ভোট দেয় না বাংলা, শুভেন্দু-রাজীবদের জন্যই কি মার খাবে বিজেপির জয়ের স্বপ্ন

আরও পড়ুন - বঙ্গ ভোটে পদ্ম হাতে ৯ মুসলমান, বিজেপি কি সত্যিই সংখ্যালঘু-বিরোধী - কী বলছেন প্রার্থীরা

আরও পড়ুন - মমতা, আব্বাস না বিজেপি - কোথায় যাবে মুসলিম ভোট, বাংলার নির্বাচনে এবার সবথেকে বড় ধাঁধা

গত শুক্রবারই এই ঘটনার বিষয়ে খোঁজ খবর নিতে কোচবিহারে এসেছিলেন নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে। কোচবিহারের উৎসব অডিটোরিয়ামে পুলিশ প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। সূত্রের দাবি, তারপরই ঘটনার পিছনে খুনের তত্ত্ব উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। বিজেপি নেতা আত্মহত্যা করেছেন বলেই জানিয়েছেন তাঁর রিপোর্টে।

সূত্রের দাবি, বিবেক দুবের রিপোর্টে জানানো হয়েছে, ওই বিজেপি নেতা প্রার্থী পদ না পেয়ে অবসাদে ভুগছিলেন। তিনি আগে থেকেই অবসাদে ভুগছিলেন। ওষুধ খাওয়াও বন্ধ করে দিয়েছিলেন। প্রার্থীপদ না পাওয়ায় সেই অবসাদ আরও বাড়ে। সেইসঙ্গে তাঁর নিথর দেহর সঙ্গে যে সুইসাইড নোট পাওয়া গিয়েছিল, সেখানে বিজেপির এক মহিলা কর্মীর কাজেও তিনি অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন বলে জানিয়েছিলেন। সেই কথাও রিপোর্টে উল্লেখ করেছেন পুলিশ পর্যবেক্ষক। ।