'আনন্দ বর্মনের মৃত্যুতে কেন নীরব মমতা, শীতলকুচিতে আনন্দ বর্মনের মৃত্যুতে ফের মমতাকে নিশানা নাড্ডার। বুধবার রাজরহাটে বি আর আম্বেদকরের প্রতিকৃতিতে মালা দিয়ে এদিন প্রচার শুরু করেছেন জেপি নাড্ডা। এদিকে কোচবিহার সফরের দিনেই মমতাকে প্রশ্নের সামনে এনেছেন নাড্ডা।

আরও পড়ুন, 'মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চাই না-এখন এসে কী করবেন', বিস্ফোরক শীতলকুচির বর্মন পরিবার  

 

 

জেপি নাড্ডা এদিন বলেছেন, 'আনন্দ বর্মনের মৃত্যুতে কেন নীরব মমতা। তাঁর মৃত্যুর জন্য দায়ী তৃণমূল। শীতলকুচির আনন্দ বর্মনকে নিয়ে একটাও কথা বলছেন না মমতা। আনন্দ বর্মন রাজবংশী সন্তান ছিলেন। দলিত সমাজের সন্তান। তৃণমূলের দুষ্কৃতিরা আনন্দকে খুন করেছে।  আসলে তৃণমূল দলিত বিরোধী।' উল্লেখ্য, চতুর্থ দফা ভোটের সকালেই শীতলকুচিতে গুলিতে মৃত্যু হয় এক নতুন ভোটেরের।  শীতলকুচির পাগলা পীরে গুলি চলে আচমকাই। সেইসময়  ভোটের লাইনে দাঁড়িয়েই আচমকা আনন্দ বর্মণের পিঠে গুলি লাগে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় বছর ১৮-র ওই যুবককে। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।  এরপরেই উত্তাল হয়ে ওঠে শীতলকুচি। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে ঘটনার দিনই অভিযোগ করেছিল মৃত কিশোরের পরিবার। 

 

 

আরও পড়ুন, আজ রাজ্যে প্রথমবার নির্বাচনী প্রচারে রাহুল, ওদিকে শীতলকুচি কাণ্ডের পর কোচবিহারে মমতা

 

 

অপরদিকে,  বুধবার শীতলকুচির নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে এদিনই মাথাভাঙায় গিয়েছেন মমতা। এদিকে আগেই 'মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চাই না', জানিয়েলেন শীতলকুচির আনন্দ বর্মনের বাবা।   মৃতের দাদা বলেছেন, সবই তো শেষ হয়ে গিয়েছে। আমি বিজেপি প্রার্টি করি। বিজেপি করার জন্য আমার ভাই মারা গেল। এখন মুখ্যমন্ত্রী এসে আর কী করবেন। তবে জানা গিয়েছে নারাজ থাকলেও এদিন আনন্দের দাদু মমতার সঙ্গে দেখা করেছে।