লড়াইয়ের চেনা জমিতে আবারও পা রাখতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দুর দলত্যাগের পর এই প্রথমবার সভা করবেন তৃণমূল নেত্রী। নন্দীগ্রামের সেই তেখালি মাঠে তাঁর প্রস্তাবিত সভা করতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সাত জানুয়ারি এই সভার কথা ছিল। কিন্তু বছরের শেষে তা স্থগিত হয়ে যায়। নন্দীগ্রামের সভা থেকে শুভেন্দুকে কী জবাব দেবেন মুখ্যমন্ত্রী?

আরও পড়ুন-'একটাই ভারতবর্ষ, নাগরিকদের এক পরিচিতি', তমলুকে বর্গভিমা মন্দিরে পুজো দিয়ে বললেন রাজ্যপাল

  

পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামের তেখালিতে আগামী ১৮ জানুয়ারি সভা করবেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতার এই হাইভোল্টেজ সভা ঘিরে ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে জেলা নেতৃত্ব। ২০০৭ সালের নন্দীগ্রামে গণ আন্দোলনে তিন জনের মৃত্যু হয়। এই দিনটিতে প্রতি বছর স্মরণ ও অনুষ্ঠান করেন শুভেন্দু অধিকারী। ৭ জানুয়ারি নন্দীগ্রামে মমতার সভার কথা থাকলেও, রামনগরের বিধায়ক অখিলল গিরি কোভিডে আক্রান্ত হওয়ায় শেষ মূহূর্তে ওই দিনের সভা বাতিল হয়ে যায়। যদিও, ওইদিন নন্দীগ্রামে শহীদ বেতিতে শ্রদ্ধা জানান তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।

অরও পড়ুন-আগামী সপ্তাহে মিছিল করতে চান শোভন-বৈশাখী, তবুও মিলল না দিলীপের খোঁচা থেকে মুক্তি

এবার ১৮ জানুয়ারি নন্দীগ্রামে সভা করতে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। জেলা নেতৃত্ব সূত্রে খবর, নন্দীগ্রাম আন্দোলনকে স্মরণ করে ১৮ জানুয়ারি সভা করবেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। জেলা নেতৃত্বরা বলেন, নন্দীগ্রামের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সম্পর্ক দীর্ঘ দিনের। আন্দোলনকারীদের স্মৃতি সম্মান জানিয়ে ১৮ জানুয়ারি দিনটিকে বেছে নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। অন্যদিকে, বিধায়কহীন নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর দলত্যাগের রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে নন্দীগ্রামে। এই অবস্থায় তৃণমূল নেত্রী তেখালির সভা দাঁড়িয়ে কী বলেন? সে দিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা।