মতুয়া সংঘের অনুষ্ঠানে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন খোদ সভাধিপতি। বর্ধমানের মেমারিতে গিয়েছিলেন মতুয়া সংঘের সভাধিপতি মমতাবালা ঠাকুর। সেখানে গিয়ে মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন। তাঁর গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখান মতুয়ারা। তাঁদের দাবি, এলাকার রাস্তা, শৌচালয়, অ্য়াম্বুল্যান্স, সরকারি প্রকল্পের ঘর তৈরি হয়নি এলাকায়। তা নিয়ে এলাকার মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চায়। এদিন মতুয়াদের অনুষ্ঠানে মমতাবালা ঠাকুর যেতেই তাঁর গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখান মতুয়ারা। অন্যদিকে, মতুয়াদের বেশ কয়েকটি কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে তোপ দেন মমতাবালা ঠাকুর।

আরও পড়ুন-কোর্টের রায় উপেক্ষা করে বিজেপির রথ যাত্রা, পুলিশি বাধায় ধুন্ধুমার, হেনস্থার মুখে মন্ত্রী


মতুয়াদের অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে নাগরিকত্ব ইস্যুতে কেন্দ্রীয় নীতির তীব্র বিরোধিতা করেন মমতাবালা ঠাকুর। মতুয়াদের আরও বেশ কয়েকটি ইস্যুতে তোপ দিয়ে তিনি বলেন, ''মতুয়াদের সঙ্গে ভাঁওতাবাজি করছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দেশে সবকিছু চালু হয়ে গিয়েছে, আর উনি বলছেন, দেশে টিকাকরণ কর্মসূচি সম্পন্ন হলেই এনআরসি চালু করবেন। আমাদের নাকি নাগরিকত্ব নেওয়ার জন্য আবেদন করতে হবে। কেন করব?। আমরা ভারতীয়, আইন করে আমাদের নাগরিকত্ব দেওয়া হোক। ঠাকুরনগরে এসে অমিত শাহ জয় শ্রীরাম ধ্বনি দিলেও একবারও হরিবোল বলেননি। ভোট বৈতরণী পার করার জন্য আসলে এসবই ভাঁওতা''।    

আরও পড়ুন-মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদীর বিতর্কিত সম্পর্ক, অর্জুনের লক্ষ্যভেদে আরও গাঢ় হয়েছিল


অন্যদিকে, বর্ধমানমের মেমারিতে গিয়ে মতুয়াদের তীব্র বিক্ষোভের মুখে পড়েল মমতাবালা। এলাকার উন্নয়ন হয়নি বলে দাবি করেন তাঁরা। মতুয়াদের থেকে অভিযোগ পেয়েই এলাকার বিধায়ক নার্গিশ বেগমকে কাঠগড়ায় তোলেন মমতাবালা। একইসঙ্গে, ''এই অনুন্নয়নের জেরে তৃণমূলের রাজনৈতিকভাবে ক্ষতি হয়েছে বলে জানান। এই বিষয়ে সরসারি বিধায়ককে ক্ষোভের কথা জানান মমতাবালা ঠাকুর। মেমারির বিধায়ক নার্গিশ বেগমে সরাসরি তোপ দিয়ে বলেন, আপনাকে বলা সত্ত্বেও আপনি এলাকার মানুষের পাশে না দাঁড়ালে আমরা ভোট চাইব কি করে। এর ফলে ক্ষতি হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের''।