নন্দীগ্রাম যেন কাশ্মীর-কার্গিলে পরিণত হয়ে গিয়েছিল নেতাদের উপর ভরসা করতে না পেরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রার্থী হতে হয়েছে সন্ত্রাসের বিপরীতে সন্ত্রাস নয়, তাঁরা আস্থা রাখছেন মানববন্ধনে শোনা গেল বিজেপির তমলুকের সাংগঠনিক সহ সভাপতি প্রলয় পালের মুখে

তাপস দাস, নন্দীগ্রাম- নন্দীগ্রাম যেন কাশ্মীর-কার্গিলে পরিণত হয়ে গিয়েছিল। যদি সেখানে আদৌ কোনও উন্নয়ন হত, তাহলে এলাকার কোনও নেতাকেই প্রার্থী করত শাসক দল। তেমন হয়নি, তাই সেখানকার নেতাদের উপর ভরসা করতে না পেরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রার্থী হতে হয়েছে। এসব কথা শোনা গেল বিজেপির তমলুকের সাংগঠনিক সহ সভাপতি প্রলয় পালের মুখে। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

তিনি বললেন, সন্ত্রাসের বিপরীতে সন্ত্রাস নয়, তাঁরা আস্থা রাখছেন মানববন্ধনে। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল যে খেলা হবে বলছে, সে খেলা বোমা নিয়ে। আর তাঁদের খেলা মানুষকে সঙ্গে নিয়ে। 

আরও পড়ুন- তিন মাস স্বস্তির পর আবারও চোখ রাঙাচ্ছে করোনা, ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুর সংখ্যা ৩৫০ ছাড়ালো

প্রলয়ের অভিযোগ, এত চুরি ডাকাতি এখানে হয়েছে, যে মানুষ ক্ষুব্ধ, এবং তাঁরা গিয়ে ভোটবাক্সে নিজেদের ক্ষোভ ব্যক্ত করবেন। সেটাকেই অ্যাডভান্টেজ বলে মনে করছেন এই বিজেপি নেতা। তিনি বলেন, এমন কোনও জায়গা নেই যেখানে তৃণমূল দুর্নীতি করেনি। ছোট বড় সব নেতাই এখানে কোটিপতি। গরিব মানুষের টাকা লুঠ হয়েছে। ১৭টা এলাকা বিরোধীশূন্য, সমস্ত বিরোধীশূন্য এলাকায় তৃণমূলের নেতারা লুঠ করেছে। 

আরও পড়ন- এক নজরে বঙ্গ-ভোটের সমস্ত তথ্য, নন্দীগ্রাম থেকে নন্দকুমার দ্বিতীয় দফার ভোট -চিত্র

পঞ্চায়েত ভোটের হিংসার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওইদিন নন্দীগ্রাম নন্দীগ্রামে ছিল না, ছিল জম্মু-কাশ্মীরে। 

শেখ সুফিয়ান যে মমতার এক লক্ষ ভোটে জয়ের কথা বলেছেন, সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভোটের ফল বেরোলে দেখা যাবে কে এক লক্ষ বা দু লক্ষ ভোটে হারে বা জেতে। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের সময়ে নন্দীগ্রাম বিধানসভায় বিজেপি দ্বিতীয় শক্তি হিসেবে উঠে এলেও, তৃণমূলর সঙ্গে ভোটর ফারাক ছিল ৭০ হাজার। সে প্রসঙ্গে প্রলয় বলেন, লোকসভা ভোটে ৭টা এলাকায় ভোট হয়েছিল, ১০ টা এলাকায় ছাপ্পা হয়েছিল। এবার ছাপ্পার কোনও জায়গা নেই। দ্বিতীয়ত, গত দুবছরে এলাকার মানুষের তিক্ত অভিজ্ঞতা আরও বেড়েছে। যার জবাব মানুষ ইভিএমে দেবেন বলে দাবি এই বিজেপি নেতার।