বিজেপির মেগামিছিলে এলেন না শোভন-বৈশাখী। শেষ পর্যন্ত মানভঞ্জন করা যায়নি বৈশাখীর। যদিও ব্যাক্তিগত কারণে এই মিছিলে থাকছেন না বলেই আগেই জানিয়েছিলেন বৈশাখী বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। আর এরই প্রভাব কি পড়ল শোভন চট্টোপাধ্যায় অনুউপস্থিতির ক্ষেত্রে। কারণ যাই হোক না কেন, ভোটের আগে মেগামিছিলে শোভন-বৈশাখী না আসায় চরম অস্বস্থির মুখে রাজ্য বিজেপি।

আরও পড়ুন, 'কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর রাজ্য়ে আসা কি অপরাধ', সৌরভকে দেখতে এসে 'বহিরাগত' ইস্যুতে তোপ অনুরাগের


সূত্রের খবর, শোভনের নামে মিছিল হলেও তিনি মিছিল চলাকালীন ছিলেন গোলপার্কের ফ্ল্যাটেই। জানা গিয়েছে, এই মিছিলে আমন্ত্রন না জানানোর জন্য, ইতিমধ্য়েই উষ্মা প্রকাশ করেছেন শোভন চট্টোপাধ্য়ায়। উল্লেখ্য,ঘটনার সূত্রপাত বিজেপির কলকাতা জোনের কমিটি ঘোষণা নিয়ে। ওই কমিটিতে পর্যবেক্ষক শোভন চট্টোপাধ্যায়। সহ-সহায়ক পদে বৈশাখী। এদিকে বৈশাখীর পাশপাশি যুব বিজেপির রাজ্য সহ সভাপতি শঙ্কুদেব পন্ডাকেও ওই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে। রবিবার কমিটিতে একই পদে শঙ্কুদেবও কেন, এনিয়ে  প্রশ্ন তোলেন বৈশাখী। সূত্রের খবর, শঙ্কুদেব থাকলে তিনি সোমবারের  মেগা মিছিলে অংশ নেবেন না বলেও জানিয়েছেন বৈশাখী।

আরও পড়ুন, আজ অভিষেক-পিকের বৈঠকে গুরুং-তামাং, বিমল বিরোধী পোস্টারে ঢাকল কার্শিয়াং


 তবে এই প্রথমবার নয়, আগেও বহুবার এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে বিজেপি। প্রসঙ্গত ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের পর ১৪ অগাস্ট বিজেপিতে যোগ দেন শোভন-বৈশাখী। বিজেপির সদর দফতরে সংবর্ধনা দিতে গিয়ে শোভনকে ডাকা হলে ব্রাত্য ছিলেন বৈশাখী। সেবারও গোসা হয় বৈশাখী। ওই দিন আবার শোভন-বৈশাখীকে 'ডাল-ভাত' বলে মন্তব্য় করতে বিতর্কের মোড় নেয়।  এখানেই শেষ নয় ২২ নভেম্বর সল্টলেকের ইজেডসিসি বিজয়া সম্মেলনীতেও আমন্ত্রন পান শোভন। বিজেপির দফতর থেকে বৈশাখীর কাছেই না কি আমন্ত্রমের ফোন গিয়েছিল। ফোনে তাঁকে বলা হয়, রবিবারের অনুষ্ঠানে শোভনকে উপস্থিত থাকতে বলেছেন রাজ্য সভাপতি। বৈশাখীকেও যেতে হবে এমনটা বলা হয়নি। এমন ঘটনা জানতে পরে বান্ধবীর অপমানে অপমানিত বোধ করেন শোভন। পরে দিলীপ ঘোষ ফোন করে সেই মান ভঞ্জন করেন। তবে অতীতে একাধিকবার হলেও , ভোটের দোরগড়ায় দাঁড়িয়ে সোমবারের মেগা মিছিলে শোভন-বৈশাখী অনুপস্থিতি যে বড় প্রভাব ফেলেছে, গুঞ্জন রাজনৈতিক মহলে।