মুর্শিদাবাদের পর মালদহ। শুভেন্দুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ফের দলীয় চাপে পড়লেন মালদহ জেলা পরিষদের সভাধিপতি। দিঘায় শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন জেলা পরিষদের ৯ জন সদস্য। এই খবর চাউর হতেই রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয় মালদহ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসে। 

আরও পড়ুন-তারাপীঠে জগদ্ধাত্রী রূপে পূজিত হলেন মা তারা, বলি পাঁঠার মাংস-মাছ দিয়ে ভোগ প্রদান

জানাগেছে, বিতর্ক দানা বাঁধে মালদহ জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌরচন্দ্র মণ্ডলকে ঘিরে। তিনি সহ আরও ৯ জন সদস্য দিঘায় শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এই খবর ছড়িয়ে পড়ে মালদহ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসে। যদিও, এই খবর মিথ্যা বলে দাবি করেন জেলা সভাধিপতি গৌরচন্দ্র মণ্ডল। তাঁর দাবি থাকা পরও, গৌরচন্দ্রর উপর চাপ সৃষ্টি করা হয়। এর জেরে কার্যত গা ঢাকা দিয়ে নিজের গ্রামে ছিলেন গৌরচন্দ্র। এরপর, শুভেন্দুর সঙ্গে সাক্ষাৎ নিয়ে বৈঠক হয় মালদহ তৃণমূল নেতৃত্বে। 

আরও পড়ুন-'শেষ বয়সে শোধরান, জঙ্গলমহলে গিয়ে মিথ্যে বলছেন মুখ্যমন্ত্রী', মমতাকে কটাক্ষ দিলীপের

সূত্রের খবর, এই বিষয় নিয়ে দলের কাছে ক্ষমাও চান গৌরচন্দ্র মণ্ডল। শুধু তাই নয়, মমতা বন্দ্যোাপাধ্যায় ছাড়া অন্য কারও অনুগামী হবেন না। তার জন্য দলের কাছে মুচলেকা দিতে হয় তাঁকে। যদিও এবিষয়ে তিনি প্রকাশ্যে কিছু মন্তব্য করেননি। জেলা সভানেত্রী মৌসম নূর স্পষ্ট জানিয়েছেন, গৌরচন্দ্র মণ্ডল শুভেন্দুর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন ভুল বোঝাবুঝির মধ্যে। এখন তিনি সেই ভুল থেকে বেরিয়ে এসেছেন। এখন তাঁর নেত্রী মমতা। অন্যদিকে, মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের সভাধিপতির নিরাপত্তারক্ষী সরিয়ে নেওয়া হয় শুভেন্দুর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার জেরে।