Durgapur BJP News: ভোটের দিনক্ষণ যত এগিয়ে আসছে ততই বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। ভোটের মুখে ফের বোমাবাজির ঘটনা। কোথায় ঘটেছে এই ঘটনা? বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…
Durgapur BJP News: ভোটের মুখে জেলায় জেলায় অশান্তি, দুর্গাপুরে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে বোমবাজি। বিধানসভা ভোটের মুখে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অশান্তির খবর আসছে। গতকাল রাতে চাঞ্চল্যকর ঘটনা দুর্গাপুরের ইস্পাত নগরীতে। দুর্গাপুরের ইস্পাত নগরীর রানা প্রতাপ রোড এলাকায় থাকেন দুর্গাপুর পূর্ব এক নম্বর মন্ডলের সাধারণ সম্পাদক শাশ্বতী গিরি। শুক্রবার রাত নটার পর তাদের বাড়ির সামনে কেউ বোম ছুড়ে দিয়ে পালায়।
ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?
বিকট বোমের আওয়াজে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে পরিবারের লোকজন। ঘটনার খবর পেয়ে পৌঁছায় দুর্গাপুর থানার পুলিশ। বিজেপি জেলা সহ সভাধিপতি চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় এর বক্তব্য," নির্বাচনের আগে বিজেপি কর্মীদের এইভাবে ভয় দেখিয়ে লাভ হবে না।"
দুর্গাপুরে বিজেপি নেত্রীর বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজির অভিযোগ। ঘটনায় অভিযোগের তীর তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। শুক্রবার রাতে দুর্গাপুর ইস্পাত নগরীর এ-জোনের রানা প্রতাপ এলাকায়। স্থানীয় বিজেপি নেত্রী শাশ্বতী গিরির বাড়ির বাইরে বোমাবাজির অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনায় কেও হতাহত না হলেও ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। বোমাবাজির খবর চাউর হতেই ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন দুর্গাপুরের স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব।
পশ্চিম বর্ধমান জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি চন্দ্রশেখর ব্যানার্জি দাবি করেন। বিজেপি কর্মীদের ভয় দেখাতে এবং এলাকায় উত্তেজনা ছাড়াতে তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বোমাবাজি করেছে বলে। তবে দলের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করে। তৃণমূল কংগ্রেসের দুর্গাপুর এক নম্বর ব্লক সভাপতি তথা প্রাক্তন কাউন্সিলর রাজিব ঘোষ পাল্টা দাবি করেন।
অন্যদিকে, মালদায় ফের চিকিৎসা ব্যবস্থাকে ঘিরে বড় প্রশ্ন। সামসি গ্রামীণ হাসপাতালে মদ্যপ অবস্থায় ডিউটিতে থাকা চিকিৎসকের বিরুদ্ধে উঠল গুরুতর অভিযোগ। শ্বাসকষ্টে ভোগা দেড় বছরের এক শিশুকে ভুল ওষুধ দেওয়ার অভিযোগ। গতকাল মধ্যরাতে ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ালো মালদার সামসি গ্রামীণ হাসপাতালে। মালদার সামসি কান্ডারন এলাকার বাসিন্দা কানু কর্মকারের মেয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। আচমকা শ্বাসকষ্ট শুরু হওয়ায় তড়িঘড়ি শিশুটিকে সামসি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
অভিযোগ, সেই সময় সামসি গ্রামীণ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাহুল কর্মকার নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিলেন। ঠিকমতো শারীরিক পরীক্ষা না করেই শিশুকে ভুল ওষুধ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ পরিবারের। শ্বাসকষ্টের ওষুধের বদলে তাকে ওয়ারিশ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সন্দেহ ঘনীভূত হয়। বিষয়টি জানাজানি হতেই হাসপাতালে উত্তেজনা ছড়ায়।
পরিবারের সদস্যরা চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং দায়িত্বজ্ঞানহীনতার অভিযোগ তোলেন। পরবর্তীতে ওই শিশুটিকে চাচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে সেখানেই সেই চিকিৎসাধীন।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


