Bangladeshis Apprehended: গত কয়েক মাসে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে একের পর এক বাংলাদেশীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এবার দক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমণ্ডি থেকেও একদল বাংলাদেশীকে পাকড়াও করা হল। তাদের সঙ্গে এক ভারতীয় নাগরিকও ছিল। তাদের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (BSF) হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

DID YOU
KNOW
?
বিএসএফ হেফাজতে ধৃতরা
মঙ্গলবার ভোরে দক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমণ্ডি থেকে যে ২৬ জনকে আটক করা হয়েছে, তাঁদের হেফাজতে নিয়েছে বিএসএফ।

India-Bangladesh Border: ভোরের অন্ধকারে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া অঞ্চলে ঘোরাফেরা করছিল বেশ কয়েকজন। সন্দেহ হওয়ায় জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এরপরেই ওই ২৬ জনকে ঘিরে ধরে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (BSF) হাতে তুলে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল দক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমণ্ডিতে। কুশমণ্ডি ব্লকের মালিগাঁ গ্রাম পঞ্চায়েতের কানকিপাড়া কদমতলা অঞ্চলে এই ঘটনা ঘটেছে। আটক হওয়া ২৬ জনের মধ্যে ২৫ জন বাংলাদেশী এবং একজন ভারতীয় নাগরিক বলে দাবি করেছেন কুশমণ্ডির বিজেপি (BJP) বিধায়ক তাপস চন্দ্র রায়। বিজেপি-র কুশমণ্ডি বিধানসভার সেবা কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত একটি ভিডিয়ো বার্তায় বিধায়ক জানান, মঙ্গলবার ভোর পাঁচটা নাগাদ ওই ব্যক্তিদের সীমান্ত অঞ্চলে ঘোরাফেরা করতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরিচয় জানতে চাওয়া হলে কয়েকজন ধানক্ষেতে পালিয়ে গিয়ে লুকিয়ে পড়েন বলে তাঁর দাবি। এরপরেই স্থানীয়েরা একত্রিত হয়ে তাঁদের ঘিরে ফেলেন।

ধৃতদের হেফাজতে নিল বিএসএফ

কুশমণ্ডির বিধায়কের দাবি, আটক ২৬ জনের মধ্যে ২৫ জন বাংলাদেশের নাগরিক। তাঁদের কাছে ভারতীয় আধার কার্ডের পাশাপাশি বাংলাদেশের কিছু নথিও পাওয়া গিয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। বিধায়কের আরও দাবি, ওই ব্যক্তিরা গত দু’বছর ধরে কাশ্মীরে শ্রমিক হিসাবে কাজ করছিলেন।আটক অন্য এক জন ভারতীয় নাগরিক এবং তিনি সীমান্ত পারাপারে সাহায্যকারী দালালচক্রের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ করেছেন বিধায়ক। তাঁর দাবি, ওই ২৬ জনের গন্তব্য ছিল সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশের ঠাকুরগাঁও জেলা। এই ঘটনার খবর পেয়ে বিএসএফ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ধৃতদের হেফাজতে নেয়। তাঁদের পরিচয়, ভারতে থাকার কারণ এবং সীমান্ত পারাপারের উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

তদন্তের দাবি বিধায়কের

এই ঘটনায় একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। কীভাবে অভিযুক্তদের কাছে আধার কার্ড (Aadhar Card) এল, তাঁরা কী উদ্দেশ্যে ভারতে এসেছিলেন এবং সীমান্ত পার হয়ে বাংলাদেশে যাওয়ার পরিকল্পনার পিছনে কোনও দালালচক্র বা সংগঠিত নেটওয়ার্ক রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখার দাবি জানিয়েছেন কুশমণ্ডির বিধায়ক। তবে ধৃত ব্যক্তিদের নাগরিকত্ব এবং তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে বিএসএফ বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।