Bhabanipur Elections 2026: ভবানীপুরে বড় জয়ের লক্ষ্যে কোমর বেঁধে নামল তৃণমূল। মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়কে বড় মার্জিনে জেতাতে কোমর বেঁধে নামলেন অভিষেক। ভবানীপুরে দলীয় কর্মীদের 'ভোকাল টনিক' দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের অঘোষিত নম্বর টু অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়।

ভবানীপুরে বড় জয়ের লক্ষ্যে কোমর বেঁধে নামল তৃণমূল কংগ্রেস। মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়কে বড় মার্জিনে জেতাতে কোমর বেঁধে নামলেন অভিষেক। রবিবার ভবানীপুরে দলীয় কর্মীদের 'ভোকাল টনিক' দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের অঘোষিত নম্বর টু অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। অভিষেক স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, জয়ের ব্যবধান বা মার্জিন ভবানীপুরকে কলকাতাকে বাকিদের মধ্যে এক নম্বরে থাকতে হবে। মানে কলকাতার মধ্যে যে ১২টি কেন্দ্র আছে সেগুলির মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের ভবানীপুর কেন্দ্রে মার্জিন সবচেয়ে বেশি হোক, সেই টার্গেটই দলীয় কর্মীদের বেঁধে দিলেন অভিষেক। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের সাফ কথা, ভবানীপুরে শুধু জিতলেই হবে না, বড় ব্যবধানে জিততে হবে। আর সেই ব্যবধান হল কমপক্ষে ৬০ হাজার। যেখানে কদিন আগেই শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন ভবানীপুর থেকে তিনি ২৫ হাজার ভোটে জিতবেন। প্রসঙ্গত, ২০২১ বিধানসভা উপনির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় জিতেছিলেন প্রায় ৫৯ হাজারের কাছাকাছি ভোটের ব্যবধানে।

প্রতিটি বুথ থেকে ৫টি করে ভোট বাড়ানোর লক্ষ্য

অভিষেক তৃণমূলের নেতা-কর্মীজের উদ্দেশ্যে বলেন, "গতবার ভবানীপুরের ২৩১টি বুথে যে লিড ছিল, এবার তা ছাপিয়ে অন্তত ৬০ হাজার ভোটে জিততে হবে। কোনোভাবেই হাল্কাভাবে ভোট করা যাবে না। প্রতিটি বুথে কমপক্ষে ৫টি করে ভোট বাড়ানোর লক্ষ্য নিতে হবে কর্মীদের।" অভিষেক কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন,"যাদের এতদিন মানুষের পাশে পাওয়া যায়নি, তাঁরা এখন ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করছে। এই বিষয়টা মানুষকে বুঝিয়ে বলতে হবে।"ভবানীপুরের সব কাউন্সিলরদের দেওয়া হল বিশেষ দায়িত্ব ও নির্দেশ। প্রতিটি বুথের দায়িত্বে থাকা নেতাদেরও বুঝিয়ে দেওয়া হল দলীয় নির্দেশ।

মোদী সরকারের থেকে কোথায় আলাদা মমতার সরকার তা বোঝানো হল

এছাড়াও কেন্দ্র ও রাজ্যের বিভিন্ন প্রকল্পের তুলনা টেনে তিনি দাবি করেন, "আয়ুষ্মান ভারত পেতে অনেক নিয়মকানুন আছে, কিন্তু আমাদের 'স্বাস্থ্যসাথী' কার্ডে তেমন কোনো বাধা নেই। আর বিজেপি শাসিত কোনো রাজ্যে 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার'-এর মতো প্রকল্প নেই। আমাদের সরকার থাকলে এই প্রকল্প চালু থাকবে।"এই কথাগুলিই ভবানীপুরের ভোটারদের মধ্যে প্রচার করতে ও বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিতে হবে তৃণমূলের অঘোষিত নম্বর টু জানান।

মমতার ১০টি শপথ ঘরে ঘরে পোঁছে দেওয়ার ডাক

প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর জীবনযাত্রার তুলনা তুলে ধরে অভিষেক বলেন, একদিকে প্রধানমন্ত্রীর আড়ম্বরপূর্ণ জীবনধারা, অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও সাধারণ মানুষের মতোই সাদামাটা ভাবে থাকেন। তিনি তৃণমূল নেত্রীর ঘোষিত '১০টি শপথ' ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেন এবং বলেন, ''বাংলা কখনও দিল্লির সামনে মাথা নত করবে না। কলকাতার মধ্যে ভবানীপুরকে উন্নয়ন ও জয়ের নিরিখে সেরা জায়গায় নিয়ে যেতে হবে।'' রিপোর্ট কার্ড নিয়ে মানুষের কাছে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি স্পষ্ট করেন, এই লড়াই এখন সম্মানের।