Birbhum: টাকা গেল কার পকেটে? বীরভূমে ১০,০০০ কোটির মহাস্ক্যাম! কী বললেন বিধায়ক জগন্নাথ?

Birbhum: বীরভূমের পাথর শিল্পে ১০ হাজার কোটির তছরুপের বিস্ফোরক অভিযোগ সিউড়ির বিধায়কের! বেসরকারি সংস্থা সরতেই কীভাবে একদিনে রাজস্ব আদায় বাড়ল ২ কোটির বেশি? জানুন বিস্তারিত।

Share this Video

Birbhum: বীরভূমে একদিনে রাজস্ব ২.৩ কোটি! ১০ হাজার কোটির তছরুপের তদন্তে সরব সিউড়ির বিধায়ক

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

বীরভূমের পাথর শিল্পাঞ্চল থেকে বিগত সরকারের আমলে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার তছরুপ হয়েছে। এমনই এক বিস্ফোরক দাবি তুলেছেন সিউড়ির বিজেপি বিধায়ক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, এই বিপুল পরিমাণ অর্থ সরকারের তহবিলে জমা পড়েনি।

নতুন সরকার আসার পর জেলা প্রশাসনের সাথে বীরভূমের বিজেপি বিধায়কদের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়। সেখানেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এবার থেকে কোনো বেসরকারি সংস্থা নয়, বীরভূম জেলার ২৫০টি পাথর খাদান ও ৯টি টোল গেট থেকে ৪টি সরকারি দফতর যৌথভাবে সরাসরি রাজস্ব আদায় করবে। আর এই নতুন ব্যবস্থা চালু হতেই মাত্র কয়েকদিনে বীরভূমের পাথর শিল্পে রেকর্ড আয় লক্ষ্য করা গেছে।

আগে ১৯ লাখ, এখন কোটির পার!

সাংবাদিক সম্মেলনে বিধায়ক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় কিছু চমকে দেওয়ার মতো পরিসংখ্যান তুলে ধরেন:

বিগত সরকারের আমল: দৈনিক গড় রাজস্ব আদায় হতো মাত্র ১৯ লক্ষ টাকা

নভেম্বর ২০২৫ - মার্চ ২০২৬: জেলা প্রশাসনের চাপে দৈনিক আদায় বেড়ে দাঁড়ায় ৭০ লক্ষ টাকা

১৭ মে, ২০২৬: নতুন সরকার ও জেলা প্রশাসনের যৌথ তদারকিতে একদিনে আদায় হয় ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা

১৮ মে, ২০২৬: মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে সেই রাজস্ব একলাফে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা

বিধায়কের স্পষ্ট ধারণা, সরকারি নজরদারি এভাবে বজায় থাকলে বীরভূমের এই শিল্পাঞ্চল থেকে প্রতিদিন গড়ে ৩ কোটি টাকা পর্যন্ত রাজস্ব আদায় সম্ভব। এই বিপুল আয়ের পরিসংখ্যান সামনে আসার পরই বিগত আমলের ১০ হাজার কোটি টাকার আর্থিক অনিয়মের উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

Related Video