উল্টোডাঙা মহিলা থানার ওসি চামেলি মুখোপাধ্যায়কে (Chameli Mukherjee) কালীঘাট থানায় বদলি করা হয়েছিল শনিবার। যদিও রাত কাটতেই আবারও তাঁকে উল্টোডাঙা মহিলা থানাতেই ফেরানো হয়েছে। কালীঘাট থানার ওসি হয়েছেন বলাই বাগ। এর আগে ওসি ছিলেন গৌতম দাস। আগ্নেয়াস্ত্র হাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর একটি ছবি প্রকাশ্যে আসতেই তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়।

উল্টোডাঙা মহিলা থানার ওসি চামেলি মুখোপাধ্যায়কে (Chameli Mukherjee) কালীঘাট থানায় বদলি করা হয়েছিল শনিবার। যদিও রাত কাটতেই আবারও তাঁকে উল্টোডাঙা মহিলা থানাতেই ফেরানো হয়েছে। কালীঘাট থানার ওসি হয়েছেন বলাই বাগ। এর আগে ওসি ছিলেন গৌতম দাস। আগ্নেয়াস্ত্র হাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর একটি ছবি প্রকাশ্যে আসতেই তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়। এদিকে, চামেলির বিরুদ্ধেই একাধিক অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ তুলেছেন বর্ধমার জেলার মেমারি বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী মানব গুহ। তাঁর দাবি, কমিশনকে তিনি চামেলি মুখোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা কথা জানিয়েছিলেন। সেই কারণেই চামেলিকে কালীঘাট থানার ওসি-র পদ থেকে সরানো হয়েছে।

ফেসবুকে ভিডিও পোস্ট করে এনিয়ে মুখ খুলেছেন মানব। তাঁর দাবি, চামেলির বিরুদ্ধে আলিপর আদালতে মামলা রয়েছে। তিনিই সেই মামলা করেছিলেন। এই মামলায় চামেলি ছাড়াও আরও কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক পার্টি। চামেলি মুখোপাধ্য়ায়কে কালীঘাট থানার ওসি-র পদ থেকে সরানোর জন্য নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মানব। বিজেপি প্রার্থীর আরও দাবি, একপালপুর থানা দখল, হিন্দুদের উপরে অত্যাচার নিয়ে খবর করার জন্য গিরিশ পার্ক থানার তাঁর বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছিল। সেই মামলার তদন্তকারী আধিকারিক ছিলেন এই চামেলি মুখোপাধ্য়ায়। এই মামলায় মানব গুহকে কিছুদিন জেলে কাটাতে হয়েছিল। তাঁর আরও দাবি, মিথ্য়া মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিকল্পনাতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

মানব গুহর দাবি, তিনি আলিপুর আদালতে মানহানির মামলা করেছিলেন। সেই মামলায় অভিযুক্ত চামেলি মুখোপাধ্য়ায়। তিনি নির্বাচন কমিশনকে জানাননি যে তাঁর নামে মামলা আছে আলিপুর আদালতে। মানব জানান যে চামেলির বিষয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছিলেন। সেই কারণে কালীঘাট থানার ওসি-র পদ থেকে চামেলিকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে রাতারাতি। এই সিদ্ধান্তের জন্য কমিশনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন পেশায় সাংবাদিক মানব।

গোটা ঘটনার সূত্রপাত তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদারের একটি পোস্ট ঘিরে। রাইফেল হাতে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট করেন কালীঘাট থানার তৎকালীন ওসি গৌতম দাস। ওই ছবি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূল। জয়প্রকাশ বিষয়টি নিয়ে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দকে চিঠি দিয়ে জানান। এর পরেই সাসপেন্ড করা হয় গৌতম দাসকে। শনিবার তাঁর জায়গায় নিয়ে আসা হয় উল্টোডাঙা মহিলা থানার ওসি চামেলি মুখোপাধ্যায়কে। এখন আবারও তাঁকে আগের থানাতেই দায়িত্ব নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।