২০২৬-এর পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভোটের গণনা ৪ মে। তার আগে প্রস্তুতি ঝালিয়ে নিতে শনিবার কলকাতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসছে বিজেপি। ভোট গণনার দিনের রণকৌশল এবং প্রস্তুতিই এই বৈঠকের মূল ফোকাস।
২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনার আর বেশি দেরি নেই। তার আগে প্রস্তুতিতে কোনও খামতি রাখতে চাইছে না ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)। শনিবার কলকাতায় একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বসতে চলেছে দল।
ভোট গণনার আগে দল এখন চূড়ান্ত সক্রিয়। এই বৈঠকে মূলত আলোচনা হবে রণকৌশল, সমন্বয় এবং একেবারে তৃণমূল স্তরের প্রস্তুতি নিয়ে। লক্ষ্য হল, সমস্ত গণনা কেন্দ্রে যাতে মসৃণভাবে নজরদারি চালানো যায়, তা নিশ্চিত করা।
গণনা নিয়ে বিজেপির বৈঠক
BJP সূত্রে খবর, 'এই বৈঠকে বুথ স্তরের ম্যানেজমেন্ট, গণনার দিনের নিয়মকানুন এবং বিভিন্ন স্তরে সমন্বয়ের বিষয়টি খতিয়ে দেখবে শীর্ষ নেতৃত্ব। গণনার দিন যত এগিয়ে আসছে, দলের রণকৌশল চূড়ান্ত করতে এই বৈঠকটি খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে'।
ওই সূত্র আরও জানিয়েছে, 'নির্বাচনী প্রচারের সময় যে সমস্ত 'প্রবাসী' (অন্য রাজ্যের নেতা) নেতাকে রাজ্যে পাঠানো হয়েছিল, তাঁদের সকলকেই বৈঠকে থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এঁদের মধ্যে সাংসদ এবং বিধায়করাও রয়েছেন। বিভিন্ন কেন্দ্রে এঁদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তাঁরা নিজ নিজ এলাকার বিস্তারিত রিপোর্ট এবং আপডেট দেবেন'।
পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফার ভোটে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে কড়া টক্কর দেখা গিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, তাদের জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলিই তাদের ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনবে। অন্যদিকে, বিজেপির প্রচারের মূল অস্ত্র ছিল দুর্নীতি এবং রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে অভিযোগ।
পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ফল ঘোষণা হবে ৪ মে। একই দিনে অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরির ভোটের ফলাফলও প্রকাশ করা হবে। ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI) জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফায় সন্ধ্যা ৭:৪৫ পর্যন্ত ৯১.৬৬ শতাংশ ভোট পড়েছে। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোটে এই হার ছিল ৯৩.১৯ শতাংশ। অর্থাৎ, দুই দফা মিলিয়ে মোট ভোটের হার দাঁড়িয়েছে ৯২.৪৭ শতাংশ।


