রাজ্যে তিন আসনে উপনির্বাচন দলের ভরাডুবি ঘটেছে। এরইমধ্যে আবার হুগলির রিষড়ায় আবার আগ্নেয়াস্ত্র-সহ ধরা পড়লেন এক বিজেপি নেতা। ধৃতের কাছ থেকে একটি সেভেন এমএম পিস্তল ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আরও পড়ুন: কর্তব্যরত অবস্থায় সিভিক ভলান্টিয়ারের রহস্যমৃত্যু, চাঞ্চল্য রানাঘাটে

ধৃত  বিজেপি নেতার নাম ভাস্কর শীল। রিষড়ায় লক্ষ্মীপল্লি এলাকায় থাকেন তিনি।  বিজেপির রিষড়া মণ্ডলের সহ-সভাপতি ভাস্কর।  সূত্রের খবর, দিন কয়েক আগে এক কুখ্যাত দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জেরায় ওই দুষ্কৃতী জানায়, জগদ্ধাত্রী পুজোর সময়ে বিজেপি নেতা ভাস্কর শীলের বাড়িতে আশ্রয় নেয় সে। বাড়িতে একটি পিস্তলও রেখে আসে। বৃহস্পতিবার রাতে অভিযুক্তের বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। উদ্ধার হয় একটি পিস্তল ও দুই রাউন্ড গুলি। গ্রেফতার করা হয় বিজেপির রিষড়া মণ্ডলের সভাপতিকে।  দলের নেতা গ্রেফতারের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রিষড়া থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। শুক্রবার সকালে যখন ভাস্কর শীলকে আদালতে তোলা হয়, তখন আদালত চত্বরেও বিক্ষোভ হয়। বিজেপির অভিযোগ, ভাস্কর শীল দলের অত্যন্ত ভালো সংগঠক।  তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা হচ্ছে। আর রিষড়া পুরসভার চেয়ারম্যান ও শহর তৃণমূল সভাপতি বিজয় সাগর মিশ্রের প্রতিক্রিয়া, 'এখন বিজেপি নেতাদের ঘরে ঘরে অস্ত্র। সকলের বাড়িতেই তল্লাশি চালানো উচিত।'  এদিকে আদালতে আবার ধৃত বিজেপি নেতা ভাস্কর শীল অভিযোগ করে, হেফাজতে নিয়ে তাঁকে বেধড়ক মারধর করেছে পুলিশ। তাঁকে আপাতত হাসপাতালে ভর্তি করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

আরও পড়ুন: উপনির্বাচনে বিপুল জয়, বিজেপি-এর পার্টি অফিসে উড়ল তৃণমূলের পতাকা

উল্লেখ্য, মাস খানেক আগে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে বিজেপি নেতা বাবান ঘোষকে গ্রেফতার করে পুলিশ।  তিনি দলের মজদুর ইউনিয়নের সভাপতি। বেহালার সরশুনা এলাকার এক ব্যবসায়ী অভিযোগ, সংসদে রেলের স্থায়ী কমিটি সদস্যপদ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে তাঁর কাছ থেকে ৪৬ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন বাবা।  এফআইআরে নাম ছিল বিজেপি নেতা মুকুল রায়েরও। সেই মামলার এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। এবার আগ্নেয়াস্ত্র-সহ গ্রেফতার আরও বিজেপি নেতা।