এই 'তৃণমূল আর না'-এর পর 'রাম নাম গা রাহা থা'। লোকসভা নির্বাচনের পর নতুন করে গান বাধলেন আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। মুহূর্তের গানে রানিগঞ্জে বাহবা কুড়োলেন এই বিজেপি নেতা।

স্লোগানের পাশাপাশি জয় শ্রীরাম প্য়ারোডি। রানিগঞ্জের দলীয় অনুষ্ঠান শেষে ফের তির্যক গান গেয়ে চমক দিলেন বাবুল। এদিন অনুষ্ঠান শুরু হতেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর মুখে শোনা যায় 'ম্যায় তো রাস্তে সে যা রাহা থা, রাম নাম গা রাহা থা, দিদিকো গুস্সা আয়া তো, ম্যায় ক্যায়া করু'। যা শুনে হাসির রোল ওঠে জামুড়িয়ায়। ভোটের আগেও তৃণমূল ব্রিগেডের বিরুদ্ধে গান গেয়ে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন এই বিজেপি নেতা। সেবার নির্বাচন কমিশনের আদর্শ আচরণবিধি থাকায় বাবুলের নামে অভিযোগ দায়ের করে তৃণমূল।
তখন বাবুলের এই তৃণমূল আর না ব্যাপক জনপ্রিয় হয়েছিল। 

আরও পড়ুন :কারাগারে জন্মেছিলেন শ্রীকৃষ্ণ, হুগলির পুলিশ ফাঁড়ির লক আপে গোপাল পুজো

আরও পড়ুন :বাথরুমে লুকিয়ে প্রেমিকা, তৃণমূল বিধায়কের ছেলেকে হাতেনাতে ধরলেন স্ত্রী

শনিবার রানিগঞ্জে পার্টি অফিসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দিদিকে বলো প্রসঙ্গ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বাবুল সুপ্রিয় বলেন, 'দিদিকে বলো একটি ফ্লপ কর্মসূচি। কোটি কোটি টাকা খরচ করে পুরো ব্যাপারটাই একটা হাস্য়কর হয়ে গেছে।' এই বলেই অবশ্য় থেমে থাকেননি বাবুল। দিদিকে বলো কর্মসূচির জন্য় কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন প্রশান্ত কিশোরকে। পিকের প্রসঙ্গ টেনে বাবুল বলেন 'আমরা কিশোর কুমারের গান শুনি, আমাদের প্রশান্ত কিশোর লাগে না। শুনেছি দিদিকে বলো অ্যাপে অভিযোগ জানাতে গেলে অভিযোগকারী কোন দল করে জানতে চাওয়া হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন করতে হলে পার্টির নাম কেন করতে হবে। আসলে এই কর্মসূচির গোড়াতেই গলদ রয়েছে।'

আরও পড়ুন :প্রেমিকের বাইকে অন্য যুবতী, বিয়ে করে তবে ছাড়লেন প্রেমিকা

আরও পড়ুন : 'চা বানিয়ে একজন প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন, তাই কি চা বানাচ্ছেন মুখ্য়মন্ত্রী'

এদিন জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে জামুড়িয়ায় হরিমন্দিরে গানের অনুষ্ঠানেও ঢুকে পড়েন মন্ত্রী বাবুল। স্থানীয় মানুষের আবদার মেনে মন্দিরের বারান্দায় বসেই খোল,কত্তাল ,হারমোনিয়ামের সঙ্গতে ভজন, লোকগীতির মতো গান ধরেন। এখানে বসেই তিনি জয় শ্রীরাম প্যারোডি গানটি শোনান সবাইকে। তালে তালে নেচে ওঠেন জামুড়িয়াবাসী। সাধারণ মানুষের আবদার মেনে সেলফিও তোলেন। এদিন বিজেপির জেলা নেতৃত্ব বলে,বাবুল সুপ্রিয় যে স্লোগান তৈরি করে দিলেন 'দিদিকে বলো,হরি বলো' তার মানে তৃণমূলের অন্তিম যাত্রা শুরু হয়ে গেছে।