তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের দফতর নিয়ে বড় স্বস্তি। কলকাতা হাইকোর্ট ওই দফতর খালি করার জন্য দমকল বিভাগের জারি করা নোটিশের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছে। তবে এই মামলায় চূড়ান্ত নির্দেশ এখনও আসেনি। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর মামলাটির ফের শুনানি হবে।
তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের দফতর নিয়ে বড় স্বস্তি। কলকাতা হাইকোর্ট ওই দফতর খালি করার জন্য দমকল বিভাগের জারি করা নোটিশের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছে। তবে এই মামলায় চূড়ান্ত নির্দেশ এখনও আসেনি। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর মামলাটির ফের শুনানি হবে। ক্যামাক স্ট্রিটের ওই ভবনে অগ্নি-নিরাপত্তা সংক্রান্ত পরিদর্শনের সময় বেশ কিছু ত্রুটি ধরা পড়েছিল। এরপর গত ৪ সেপ্টেম্বর দমকল বিভাগের তরফে ভবনের নির্দিষ্ট অংশ খালি করার নোটিশ দেওয়া হয়। সেই নোটিশকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হয় তৃণমূল।
বৃহস্পতিবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও নির্দেশ দেন, ৪ সেপ্টেম্বর জারি করা ওই নোটিশের ভিত্তিতে আপাতত কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না। অর্থাৎ, এই মুহূর্তে দফতর খালি করতে হবে না। আদালতের পর্যবেক্ষণ, ভবনটির ফায়ার সেফটি সার্টিফিকেটের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও সেখানে তাৎক্ষণিক কোনও বিপদের পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। পাশাপাশি, ভবনে থাকা ব্যক্তিরা প্রয়োজনীয় অগ্নি-নিরাপত্তা বিধি মেনে চলতে প্রস্তুত বলেও আদালতকে জানানো হয়েছে।
কী রয়েছে ওই ভবনে?
আদালতে তৃণমূলের আইনজীবী জানান, ৯ নম্বর ক্যামাক স্ট্রিটের ভবনের ষষ্ঠ ও সপ্তম তলায় দলটি ভাড়াটে হিসেবে রয়েছে। ওই লিজ চুক্তির মেয়াদ ২৫ আগস্ট ২০২৬-এ শেষ হওয়ার কথা ছিল। বিষয়টি নিয়ে একটি দেওয়ানি মামলাও বিচারাধীন রয়েছে। সম্প্রতি দমকল বিভাগের পরিদর্শনে ভবনের ছাদে একটি অননুমোদিত কাঠামো এবং সপ্তম তলায় একাধিক গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া যায়। যদিও পরে সিলিন্ডারগুলি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। দমকল বিভাগের তরফে ষষ্ঠ ও সপ্তম তলাকে অনিরাপদ ঘোষণা করা হয়।
বাড়ির মালিকের দাবি কী?
মামলার শুনানিতে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিৎ নাথ মিত্র জানান, এটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং এর জন্য আলাদা করে কোনও ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। অন্যদিকে, ভবনের মালিক রমা দেবী গোয়েঙ্কার আইনজীবী আদালতে জানান, তৃণমূলের সঙ্গে থাকা চুক্তি বাতিল করা হয়েছে। সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি কৃষ্ণা রাও আপাতত দফতর খালি করার নোটিশের উপর স্থগিতাদেশ দেন। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর ফের মামলাটির শুনানি হবে। সেদিনই এই বিষয়ে পরবর্তী নির্দেশ বা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে নজর থাকবে।
