হায়দাবাদ কাণ্ডের ছায়া এবার এ রাজ্যে।  দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জে কালভার্টের নীচ থেকে এক মহিলার অগ্নিদগ্ধ দেহ উদ্ধার করল পুলিশ। মৃতের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ধর্ষণের পর খুন করে দেহ কালভার্টের নীচে ফেলে দিয়ে গিয়েছে দুষ্কৃতীরা। তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

সোমবার সকালে কুমারগঞ্জের সাফানগরের পাকুড়তলায় এলাকায় একটি কালভার্টের নীচ থেকে ধোঁয়া বেরোতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দা। কৌতুহলবশত যখন তাঁরা কালভার্টের নীচে  উঁকি দেন, তখন এক মহিলার অগ্নিদগ্ধ দেহ দেখতে পান বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। খবর দেওয়া হয় কুমারগঞ্জ থানায়। অগ্নিদগ্ধ দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ।  পুলিশ সূত্রে খবর, কালভার্টের নিচে অনেক জায়গাতেই চাপ চাপ রক্ত পড়েছিল। সেক্ষেত্রে নলি কেটে খুনের পর প্রমাণ লোপাটের জন্য মৃতদেহে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বলে অনুমান পুলিশের। মৃতের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। কিন্তু খুনের আগে ওই মহিলাকে কি ধর্ষণ করা হয়েছিল? তা নিয়ে অবশ্য এখনও নিশ্চিত নন তদন্তকারীরা। 

আরও পড়ুন: মধ্যরাতে আমবাগানে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, আতঙ্ক ছড়াল মালদহে

আরও পড়ুন: নৈহাটিতে পুলিশি তল্লাশিতে মিলল বিপুল পরিমানে বিস্ফোরক, আতঙ্কে এলাকা ছেড়েছেন স্থানীয়রা

উল্লেখ্য , কয়েক মাস আগেই হায়দরাবাদে তরুণী পশু চিকিৎসককে ধর্ষণের পর জীবন্ত পুড়িয়ে মেরেছিল অভিযুক্তেরা। ঘটনার একদিন পর কালভার্টের নিচে অগ্নিদগ্ধ দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনায় শোরগোল পড়ে যায় গোটা দেশে। ধর্ষণ ও খুনের গ্রেফতার করা হয় চারজনকে।  তাদের ফাঁসির দাবিতে যখন ক্রমশই জোরালো হচ্ছিল, তখনই এনকাউন্টারে নিহত হায়দারাবাদ কাণ্ডে অভিযুক্তেরা। এই ঘটনার পরপরই আবার মালদহে এক তরুণীর অগ্নিদগ্ধ দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তদন্তে জানা যায়, ধর্ষণ নয়, পরকীয়া সম্পর্কে টানাপোড়েনে কারণে ওই মহিলাকে খুন করেছে তাঁর প্রেমিকার। আর এবার মহিলার অগ্নিদগ্ধ মিলল দক্ষিণ দিনাজপুরে।