সন্দেশখালিতে নিহত ভিলেজ পুলিশকর্মীর পরিবারের পাশে মুখ্যমন্ত্রী নিহতের বাবার সঙ্গে ফোনে কথা বললেন তিনি পরিবারের একজনকে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের হাতে দুই লক্ষ টাকার চেক তুলে দিলেন বসিরহাটের পুলিশ সুপার

সন্দেশখালিতে নিহত ভিলেজ পুলিশকর্মীর পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্রেফ ফোনে কথা বলাই নয়, বসিরহাটের পুলিশ সুপারের মাধ্যমে পরিবারের হাতে দু'লক্ষ চেকও তুলে দিলেন তিনি। আশ্বাস দিয়েছেন পরিবারের একজনের চাকরিরও।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালির ঢোলা গ্রামে থাকতেন বিশ্বজিৎ মাইতি। সন্দেশখালি থানাতেই ভিলেজ পুলিশ পদে চাকরি করতেন তিনি। গত শুক্রবার রাতে থানার এসআই অরিন্দম হালদারের সঙ্গে স্থানীয় খুলনা গ্রামে রুটিন টহলদারিতে বেরিয়েছিলেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন সিভিক ভলান্টিয়ার বাবুসোনা সিংও। সেদিন রাতে খুলনা গ্রামে মদের আসর বসিয়েছিল কেদার সর্দার ও বিধান সর্দার নামে দুই দুষ্কৃতীরা। অভিযোগ, পুলিশের গাড়ি দেখামাত্রই গুলিতে চালাতে শুরু করে তারা। শুরু হয় বোমাবাজিও। গুলিবিদ্ধ হন সন্দেশখালি থানার এসআই অরিন্দম হালদার। গুরুতর জখম হন ভিলেজ পুলিশ বিশ্বজিৎ মাইতি ও সিভিক ভলান্টিয়ার বাবুসোনা সিংও। সকলকেই উদ্ধার করে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় খুলনা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। কিন্তু শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় বিশ্বজিৎ ও বাবুসোনাকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় কলকাতায়। শনিবার রাতে কলকাতার একটি নার্সিংহোমে মারা যান সন্দেশখালি থানার ভিলেজ পুলিশকর্মী বিশ্বজিৎ মাইতি।

মঙ্গলবার সন্দেশখালি ঢোলা গ্রামে নিহত ভিলেজ কর্মীর বাড়িতে যান বসিরহাট পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার কঙ্করপ্রসাই বারুই, সন্দেশখালি থানার পুলিশ আধিকারিক সিদ্ধার্থ ঘোষ-সহ আর অনেকে। জানা গিয়েছে, পুলিশ সুপারের ফোন থেকেই বিশ্বজিৎ মাইতির বাবার সঙ্গে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্য়মন্ত্রীর কাছে দোষীদের শাস্তির দাবি করেছেন নিহত ভিলেজ পুলিশকর্মীর বাবা। নিহতে পরিবারের হাতে রাজ্য সরকারের তরফে দুই লক্ষ টাকা চেক তুলে দিয়েছেন বসিরহাটের পুলিশ সুপার। নিহতদের ভাইয়েক চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।