Councillor Debraj Chakraborty: প্রসঙ্গত, এর আগে রক্ষাকবচ চেয়ে তিনি এবং তাঁর স্ত্রী অদিতি মুন্সী কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। তবে শিশুসন্তানের জন্য অদিতিকে রক্ষাকবচ দিলেও দেবরাজের আবেদন পত্রপাট খারিজ হয়ে যায়।
Councillor Debraj Chakraborty: অবশেষে গ্রেফতার! তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক অদিতি মুন্সীর স্বামী তথা নিউটাউন এলাকার 'কুখ্যাত' প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর দেবরাজ চক্রবর্তীকে গ্রেফতার করল পুলিশ (councilor debraj chakraborty)। বুধবার, পুরুলিয়া থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গেছে (Debraj Chakraborty latest news)।

গ্রেফতার নিউটাউনের 'কুখ্যাত' দেবরাজ!
প্রসঙ্গত, এর আগে রক্ষাকবচ চেয়ে তিনি এবং তাঁর স্ত্রী অদিতি মুন্সী কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। তবে শিশুসন্তানের জন্য অদিতিকে রক্ষাকবচ দিলেও দেবরাজের আবেদন পত্রপাট খারিজ হয়ে যায়। সম্পত্তির হিসাব নয়ছয়ের অভিযোগে দেবরাজ এবং অদিতির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। অভিযোগ ওঠে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে অন্তত ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তি বেনামে এবং আত্মীয়-পরিচিতদের নামে দেদার হস্তান্তরিত করে বেড়িয়েছেন রাজারহাট-গোপালপুরের তৎকালীন বিধায়ক অদিতি মুন্সী এবং তাঁর স্বামী দেবরাজ।
এমনিতেই দেবরাজ নিজে বিধাননগর পুরসভার কাউন্সিলর ছিলেন। ফলে, এলাকায় যথেষ্ট প্রভাবশালী বলেই পরিচিত তিনি। এই দম্পতির বিরুদ্ধে আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিবিহীন সম্পত্তি রাখার পাশাপাশি তা গোপন করা এবং টাকা পাচারের মতো গুরুতর অভিযোগও রয়েছে। তাছাড়া নির্বাচনী হলফনামায় সম্পত্তি কম করে দেখানোর অভিযোগও উঠেছে অদিতির বিরুদ্ধে।
রুলিয়া থেকে প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করল পুলিশ
বিধাননগর এলাকায় তোলাবাজি এবং সিন্ডিকেট চালানো ও জমি দখলের একাধিক অভিযোগ রয়েছে দেবরাজের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, ২০২১ সালে ভোটের পর নানারকম হিংসার মামলাতেও তিনি অভিযুক্ত। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই দেবরাজের বিরুদ্ধে বাগুইআটি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন কেষ্টপুরের জনৈক একজন প্রোমোটার অভিজিৎ সাহা। অভিযোগ আসে, কেষ্টপুরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে একটি প্রোজেক্ট চলাকালীন তাঁকে এবং তাঁর লোকজনকে বাধা দেওয়া হয়। দেবরাজের নেতৃত্বে মণীশ মুখোপাধ্যায় এবং তাঁর সহযোগীরা এই কাজ করেন। সঙ্গে আবার প্রোমোটারের কাছ থেকে মোটা টাকাও দাবি করেন তারা।
বলা হয়, টাকা না দিলে প্রাণে মেরে দেওয়া হবে। বাধ্য হয়ে কাজ বন্ধ করে দেন ঐ প্রোমোটার। ফলে, বিপুল আর্থিক ক্ষতি হয় তাঁর। দেবরাজকে ৩০ লক্ষ টাকা এবং তাঁর সহযোগী মণীশকে আরও পাঁচ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তারপর আরও টাকার চাপ দেওয়া হয়। আবারও কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়। তাই এবার তিনি দেরাজদের কঠিন শাস্তি এবং ঘুষের টাকা ফেরতের দাবি জানিয়েছেন।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


