CPM Candidate 2026: নদিয়া জেলার সম্পাদক মেঘলাল শেখ শুক্রবার একটি বিবৃতি দিয়ে জানান, অভিযুক্ত পার্টি কর্মীদের বহিষ্কারের তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সেই সাতজনের নামও প্রকাশ করা হয়েছে ঐ বিবৃতিতে। মঙ্গলবার, রীতিমতো রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে কালীগঞ্জে সিপিএম-এর পার্টি অফিস সংলগ্ন এলাকা। 

CPM Candidate 2026: কালীগঞ্জে সিপিএম-এর গোষ্ঠীকোন্দল কার্যত, প্রকাশ্যে। কারণ, কালীগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে বামফ্রন্ট সমর্থিত সিপিএম প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয় তামন্না খাতুনের মা সাবিনা ইয়াসমিনের (cpm candidate)। আর তারপরেই শুরু পার্টি কর্মীদের মধ্যে ঝামেলা। এবার সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে যথেষ্ট কড়া অবস্থান নিল দলের হাইকম্যান্ড (cpim west bengal)। 

কালীগঞ্জে সাসপেন্ড ৭ সিপিএম কর্মী

মঙ্গলবার, রীতিমতো রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে কালীগঞ্জে সিপিএম-এর পার্টি অফিস সংলগ্ন এলাকা। ঝামেলা এমন জায়গায় পৌঁছয় যে, পার্টি অফিসের ভিতরে থাকা জিনিসপত্র কার্যত, ভেঙে গুঁড়িয়ে দেন সিপিএম কর্মীরা। তারপরেই এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হল সিপিএম নেতৃত্ব। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত, মোট ৭ জনকে সাসপেন্ড করেছে সিপিএম। 

নদিয়া জেলার সম্পাদক মেঘলাল শেখ শুক্রবার একটি বিবৃতি দিয়ে জানান, অভিযুক্ত পার্টি কর্মীদের বহিষ্কারের তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সেই সাতজনের নামও প্রকাশ করা হয়েছে ঐ বিবৃতিতে।

সিপিএম-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অজয় সরকার, সইদুল শেখ, সেন্টু শেখ, মোদস্‌সের মীর, এম রহমান, হানিফ মহম্মদ এবং জহিরউদ্দিন আহমেদকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পার্টি। তারা সকলেই সিপিএম পার্টির সদস্য। 

লাল পার্টিতে গোষ্ঠীকোন্দল

প্রসঙ্গত, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে সোমবার, বামেদের প্রার্থীতালিকা ঘোষণা করেন বর্ষীয়ান নাম নেতা বিমান বসু। গত উপনির্বাচনে জয়ের পর, তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয় উৎসব চলাকালীন বোমার আঘাতে মৃত্যু হয় ছোট্ট তামান্নার। মেয়েকে হারান সাবিনা ইয়াসমিন। এবারের ভোটে সেই সাবিনা ইয়াসমিনকেই কালীগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী করেছে সিপিএম।

কিন্তু সেই প্রার্থীর নাম নিয়েই ক্ষোভ দেখা যায় সিপিএম-এর অন্দরে। খোদ লাল ঝাণ্ডার কর্মীরা নিজেরাই জড়িয়ে পড়েন ঝামেলায়। মারপিট এবং পার্টি অফিসে ভাঙচুর সবই চলে। কারণ, প্রার্থী হিসেবে সাবিনা ইয়াসমিনকে পছন্দ নয় স্থানীয় সিপিএম-এর একাধিক কর্মীর।

YouTube video player

প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই ঐ এলাকার সিপিএম নেতা এবং কর্মীদের একাংশ অসন্তুষ্ট হন। আর মঙ্গলবার, সেই ছবিই প্রকাশ্যে আসে। সেই অসন্তুষ্ট সিপিএম কর্মীরা পার্টি অফিসে চড়াও হন। তারা দাবি করেন, সাবিনাকে সরিয়ে দ্রুত অন্য কাউকে প্রার্থী করতে হবে। 

শূন্যের গেড়ো কাটবে?

সেই রাগেই মঙ্গলবার, রীতিমতো রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে কালীগঞ্জে সিপিএম-এর পার্টি অফিস সংলগ্ন এলাকা। ঝামেলা এমন জায়গায় পৌঁছয় যে, পার্টি অফিসের ভিতরে থাকা জিনিসপত্র কার্যত, ভেঙে গুঁড়িয়ে দেন বিক্ষুব্ধ সিপিএম কর্মীরা।

সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এবার কড়া সিদ্ধান্ত নিল নদীয়া জেলা সিপিএম। তাহলে কি এবার সেলিমরা বিক্ষুব্ধ পার্টি কর্মীদের বার্তা দিতে চাইলেন? মনের মতো না হলেই কি সাসপেন্ড? এতকিছুর পরেও কি শূন্যের গেড়ো কাটবে? উত্তর আসবে আগামী ৪ মে। 

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।