Digha Travel News: পর্যচনের ভরা মরশুমে দীঘা-মন্দারমণিতে হু-হু করে কমছে পর্যটকদের সংখ্যা। হঠাৎ কেন বুকিং বাতিল হচ্ছে হোটেলগুলিতে? বিশদ তথ্যের জন্য পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…

Digha: বিশ্ববাজারে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এলপিজি (LPG) ও পেট্রো পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি ও আকাল হওয়ার সম্ভাবনায় মাথায় হাত পর্যটনকেন্দ্র হোটেল মালিকদের। ঠিক তেমনি রাজ্যের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র সমুদ্র সৈকত নগরী, দীঘা,মন্দারমণি, শঙ্করপুর, তাজপুর, হোটেল মালিকদের দাবি গত কয়েকদিন ধরে এলপিজি ও পেট্রো পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি ও আকাল হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তে সমুদ্র সৈকত নগরীতে পর্যটকদের সংখ্যা কিছুটা হলেও কমেছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

 এরফলে কিছুটা হলেও সমস্যার সম্মুখীন হতে চলেছেন হোটেল ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি এলপিজি গ্যাসের এজেন্টরা তারা হোটেল এবং রেস্টুরেন্টগুলিতে জানিয়ে দিয়েছেন তেমন পরিপূর্ণভাবে গ্যাসের সিলিন্ডার পাওয়া নাও যেতে পারে। সেই আশঙ্কায় ভুগছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী থেকে খাবার হোটেলের ব্যবসায়ীরা। 

সৈকত শহরে কমছে পর্যটকদের সংখ্যা:-

বিশেষ করে যে সব বড় হোটেলগুলোতে রেস্টুরেন্টের ব্যবস্থা রয়েছে সেইসব হোটেলে পর্যটকরা সাধারণত রাস্তার হোটেলে খেতে যান না। যেই হোটেলে থাকবেন সেই হোটেলেই তারা খাওয়া দাওয়ার চিন্তা-ভাবনা করেন। এতে দেখা যাচ্ছে ওই হোটেলগুলোতে এলপিজি সাপ্লাই ঠিকঠাক না হওয়ার ফলে রান্না যে একেবারে বন্ধ হওয়ার মুখে এটা পরিষ্কার করে বলেছেন হোটেল মালিকরা।

 এই ঘটনায় মনে করিয়ে দেওয়া হচ্ছে ২০১৯ সালের কোভিড পরিস্থিতি। সেই সময় পর্যটক শূন্য হওয়াতে কিছুটা হলেও আর্থিক ও কর্ম ক্ষেত্রে ভাটা পড়েছিল। তবে এবারে এই পরিস্থিতিতে হোটেলের কর্মচারী থেকে মালিকরা তারা একটাই আশঙ্কা করছেন এলপিজি যদি অমিল হয়ে যায় সে ক্ষেত্রে কিছুটা হলেও আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন মালিকপক্ষ। অপরদিকে কর্মচারীরা তাদের কর্মসূত হওয়ার একটা আশঙ্কা রয়েছে।

আবার বেশ কিছু হোটেল মালিকদের দাবি, ইতিমধ্যে রাজ্য এবং বিভিন্ন জেলা থেকে যেসব টুরিস্ট বাস আসতো সেই বাস অনেকটা আনাগোনা কমে গিয়েছ। তার মানে পর্যটকদের সংখ্যাও কিছুটা কমেছে। অপরদিকে যেসব হোটেলগুলিতে দুই থেকে তিন দিনের বুকিং ছিল সেগুলো ক্যানসেল করিয়ে একদিনের বুকিং এ পৌঁছে গিয়েছে। বিশেষ করে হোটেল ব্যবসায়ীদের কথায়, এই মার্চ মাস পর্যটক এলাকাগুলির মুখ্য সময়। যেমন স্কুলের ছুটি আর অপরদিকে ঈদের ছুটি নিয়ে জমজমাট থাকে পর্যটন কেন্দ্রগুলি।

ঠিক তেমনি পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শাকসবজি মাছ ফলের যে দাম চড়তে বসেছে এটা কিন্তু বলার অপেক্ষা রাখে না।, তাই যেসব খাবারের প্লেটের মূল্য ছিল দেড়শ দুই শ আড়াইশো সাড়ে তিনশ, সেই সব প্লেটগুলিতে একটা বড় অঙ্কের সংখ্যা যে যোগ হতে চলেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে স্বাভাবিক ব্যবস্থায় যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ফিরে আসুক দাবি হোটেল মালিকদের।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।