করোনা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে মাস্ক না পরলেই জোর ধমক পুরুলিয়ায় পথে নামলেন খোদ জেলাশাসক এলাকায় নজরদারি চলল পুলিশেরও   

গোষ্ঠী সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়বে না তো? এ রাজ্যে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আশঙ্কা বাড়ছে প্রশাসনের। শুক্রবার সকালে পুরুলিয়া শহরে মাস্ক না পরেই রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছিলেন অনেকেই। তাঁদের রীতিমতো ধমক দিলেন খোদ জেলাশাসক রাহুল মজুমদার। লকডাউন সফল করতে বাইকে চেপে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে চষে বেড়ালেন পুরুলিয়া সদর থানার ওসি দেবাশিষ বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন: করোনা ত্রাণেও 'রাজনীতি', ছবি বিতর্কে জড়ালেন রায়গঞ্জের কংগ্রেস বিধায়ক

লকডাউন মেয়াদ আরও বেড়েছে। এ রাজ্যে করোনা পরিস্থিতি কিন্তু আরও ঘোরালো হয়ে উঠছে। সম্প্রতি দেশের ১৭০টি জেলাকে সংক্রমণের হটস্পট বলে চিহ্নিত করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সেই তালিকায় রয়েছে হাওড়া-সহ পশ্চিমবঙ্গের চারটি জেলাও। শুক্রবার নবান্নে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকে হাওড়া জেলায় করোনা সংক্রমণ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। বলেন, 'খুব খারাপ জায়গায় এসেছে হাওড়ার পরিস্থিতি। সকলকে বলছি, রাস্তায় বেরোবেন না। দরকার হলে পুলিশ বাড়ি গিয়ে খাবার পৌঁছে দেবে। না হলে, হাওড়াকে আটকাতে পারব না।' জেলাশাসককে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ, '১৪ দিনের মধ্যে রেড থেকে অরেঞ্জ জোনে আনতে হবে হাওড়াকে।'

আরও পড়ুন: কালিয়াগঞ্জে করোনা গুজবে আতঙ্ক, পুলিশের জালে দুই যুবক

আরও পড়ুন: সন্ধে নামতেই 'করোনা বৃষ্টি'-তে ছড়াল আতঙ্ক, পুরুলিয়ায় এই ঘটনার পিছনে আসল সত্য কী

করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে এ রাজ্যে মাস্ক পরা বা নাক-মুখ ঢেকে রাখা বাধ্যতামূলক বলে ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। নবান্ন থেকে নির্দেশিকা জারি করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, মাস্কে যদি অসুবিধা হয়, সেক্ষেত্রে ওড়না,কাপড়ের টুকরো, রুমাল, এমনকী গামছা ব্যবহার করেও নাক-মুখ ঢেকে রাখা যেতে পারে। সরকারি নির্দেশ সবাই মেনে চলছেন তো? তা খতিয়ে দেখতে শুক্রবার সকালে পুরুলিয়া শহরে পথে নামেন খোদ জেলাশাসক রাহুল মজুমদার। পায়ে হেঁটে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করেন তিনি। মাস্ক না পরার জন্য ধমকও খেতে হয় অনেকেই। 

Scroll to load tweet…