Drug Trafficking Case: দুর্গাপুজোর (Durga Puja 2026) মুখে রাজ্যজুড়ে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে বীরভূমের দুবরাজপুর থানার পুলিশ মাদকের কারবার রুখতে সাফল্য পেল।

DID YOU
KNOW
?
বীরভূমে মাদকের কারবার
বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে লিপ্ত প্রেমিক-প্রেমিকা বীরভূমের দুবরাজপুরে মাদকের কারবার ফেঁদে বসেছিল। তবে শেষরক্ষা হল না। তাদের ধরে ফেলল পুলিশ।

Birbhum News: ঠিক যেন কোনও উপন্যাস বা চলচ্চিত্র। প্রেমিক-প্রেমিকা মিলে দীর্ঘদিন ধরে চালিয়ে যাচ্ছিল মাদকের কারবার। ভালোই চলছিল মাদকের ব্যবসা। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। পুলিশের জালে ধরা পড়তেই হল। বীরভূমের দুবরাজপুর থানার পুলিশ মাদকের কারবারের পর্দাফাঁস করল। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরেই দুবরাজপুর ও আশেপাশের অঞ্চলের মাদকের কারবারের বাড়বাড়ন্তের খবর আসছিল। এই মাদকের কারবার রোখার জন্য ব্যবস্থা নিতে চাইছিল পুলিশ। মাদকের কারবারীদের সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া শুরু হয়। শেষপর্যন্ত গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযানে নেমে বিপুল পরিমাণে ব্রাউন সুগার উদ্ধার করে পুলিশ। মাদকের কারবারীদেরও পাকড়াও করা সম্ভব হয়েছে।

কীভাবে হল মাদকের কারবারের পর্দাফাঁস?

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে দুবরাজপুর থানার ওসি-র নেতৃত্বে একটি বিশেষ পুলিশ দল দুবরাজপুর-জালালপুর সড়কে ওত পেতে বসেছিল। দুবরাজপুর ব্লকের লোবা পঞ্চায়েতের আগুলিয়া গ্রাম থেকে একটি টোটোয় চড়ে দুবরাজপুরের দিকে আসছিল অভিযুক্ত রুপালী বাগদী। তার ঠিক পিছনেই বাইকে চড়ে আসছিল অপর অভিযুক্ত সঞ্জয় অধিকারী। সন্দেহ হওয়ায় পুলিশ দু'জনেরই পথ আটকায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাদের কথায় অসঙ্গতি ধরা পড়ায় মহিলা পুলিশ দিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। সেই তল্লাশিতে রুপালীর কাছ থেকে উদ্ধার হয় মাদক। হাতেনাতে পাকড়াও করা হয় দু'জনকে।

বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কের যোগসূত্র মাদক!

পুলিশি জেরায় এবং প্রাথমিক তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। জানা গিয়েছে, ধৃত দু'জনেই বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্কে লিপ্ত ছিল। লোকচক্ষুর আড়ালে এই প্রেমের সম্পর্ককেই তারা মাদকের কারবার চালানোর ঢাল হিসেবে ব্যবহার করত। একে অপরের হাত ধরে রমরমিয়ে চালিয়ে যাচ্ছিল ব্রাউন সুগারের ব্যবসা। তারা ধরা পড়ার পর ​ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন দুবরাজপুর ব্লকের বিডিও তথা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শুভদীপ চ্যাটার্জী এবং দুবরাজপুর থানার ওসি অমিত প্রামাণিক। ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতেই ধৃতরা স্বীকার করে, তারা মাদক বিক্রির উদ্দেশ্যেই দুবরাজপুরে যাচ্ছিল। ​পুলিশ দু'জনকে গ্রেফতার করার পাশাপাশি তাদের যাতায়াতের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত বাইকটি বাজেয়াপ্ত করেছে। ধৃতদের সিউড়ি আদালতে তোলা হবে। মাদকের এই শিকড় কতদূর বিস্তৃত এবং এর পিছনে অন্য কেউ যুক্ত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে দুবরাজপুর থানার পুলিশ।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।