Drugs Recovery: মাদকের কারবারের বিরুদ্ধে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ (West Bengal Police)। এবার দক্ষিণ দিনাজপুরে মাদক পাচার রোখার ক্ষেত্রে সাফল্য পেল পুলিশ। মাদক উদ্ধারের পাশাপাশি তিন পাচারকারীকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। নিয়মিত অভিযান চলবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

DID YOU
KNOW
?
বারবার মাদক উদ্ধার
সম্প্রতি বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে একাধিকবার মাদক উদ্ধার করেছে পুলিশ।

West Bengal News: নেশা-বিরোধী অভিযানে বড়সড় সাফল্য পেল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পুলিশ। নিষিদ্ধ মাদক রাখার অভিযোগে বিশ্বজিৎ বর্মন, পিন্টু সরকার ও ফয়েজ মণ্ডল নামে তিনজনকে হিলি থানা অঞ্চল থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের কাছ থেকে প্রায় ১৯০ গ্রাম নিষিদ্ধ মাদক উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। উদ্ধার হওয়া মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় এক কোটি টাকা বলে দাবি করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে হিলি থানার পুলিশ নির্দিষ্ট একটি বাড়িতে অভিযান চালায়। অভিযোগ, ফয়েজ মণ্ডলের বাড়িতে পিন্টু সরকার ও বিশ্বজিৎ বর্মন নিষিদ্ধ মাদক রেখে গিয়েছিল। তল্লাশি চালিয়ে সেখান থেকেই প্রায় ১৯০ গ্রাম মাদক উদ্ধার করা হয়। এরপর তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।

ধৃতদের পুলিশ হেফাজত

শনিবার তিন অভিযুক্তকে বালুরঘাট আদালতে পেশ করা হলে আদালত তাদের দুই দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়। তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং মাদক কারবারের সঙ্গে তাদের যোগসূত্র খতিয়ে দেখতে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বালুরঘাট আদালতের সরকারি আইনজীবী অলীপ বসাক জানান, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পুলিশ গত কয়েকদিন ধরে নেশার বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান চালাচ্ছে। এই অভিযানে একাধিক সাফল্যও এসেছে। নেশামুক্তির লক্ষ্যে জেলা পুলিশের এই উদ্যোগ প্রশংসনীয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

দক্ষিণ দিনাজপুরে বারবার মাদক উদ্ধার

এর আগেও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পুলিশের অভিযানে নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ, ব্রাউন সুগার-সহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। মাদক কারবারের বিরুদ্ধে আগামী দিনেও ধারাবাহিক অভিযান চালানো হবে বলে জেলা পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে। এই জেলা বাংলাদেশ (Bangladesh) সীমান্তবর্তী। বাংলাদেশে এখন পাকিস্তানের (Pakistan গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর (ISI) কার্যকলাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে বাংলাদেশ থেকে মাদক পাচার করা হতে পারে বলে সন্দেহ করছেন পুলিশ আধিকারিকরা। সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।