ECI Bike Restriction Controversy: ভোটের দু'দিন আগে কেন বাইক নিষেধাজ্ঞা? হাইকোর্টে ব্যাখা দিল নির্বাচন কমিশন। বাইকে বিধিনিষেধ নিয়ে কমিশনের আইনজীবী ডিএস নাইডু বলেন, "এই বিধিনিষেধ নতুন কিছু নয়।

ECI Bike Restriction Controversy: ভোটের দু'দিন আগে কেন বাইক নিষেধাজ্ঞা? হাইকোর্টে ব্যাখা দিল নির্বাচন কমিশন। বাইকে বিধিনিষেধ নিয়ে কমিশনের আইনজীবী ডিএস নাইডু বলেন, "এই বিধিনিষেধ নতুন কিছু নয়। প্রতিবার ২৪ ঘণ্টা আগে থেকে করা হয়, এবার আরও আগে থেকে করা হচ্ছে কারণ এই নিয়ে অনেক অভিযোগ আসছে।" হাইকোর্টে কমিশনের আইনজীবী জানান, "নিরন্তর অভিযোগ আসছে বাইক চেপে এসে ভয় দেখানোর ঘটনা ঘটছে।"বাইক নিয়ন্ত্রণে কমিশনের নির্দেশিকা, হাই কোর্টে প্রশ্নের মুখে শুক্রবার ভোটের আগে বাইক নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত মামলার শুনানি হল বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের একক বেঞ্চে। শুনানি শেষে আপাতত রায়দান স্থগিত রাখল আদালত। শুনানিতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে সওয়াল করতে গিয়ে আইনজীবী জিষ্ণু চৌধুরী (Jishnu Chowdhury)দাবি করেন, নিয়মিত অভিযোগ আসছে বাইক চেপে এসে ভয় দেখানো হচ্ছে এবং দ্রুত পালিয়ে যাওয়া সহজ হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, নাকা তল্লাশিও বাইক ব্যবহার করে এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

বাইকের পিছনে বসা ব্যক্তিদের নিয়ে সমস্যা

এছাড়া কমিশনের তরফে জানানো হয়, বাইকের পিছনে বসা ব্যক্তিদের অনেক সময় অপরাধমূলক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী যৌথভাবে কাজ করছে বলেও আদালতে জানানো হয়। সব পক্ষের সওয়াল-জবাব শুনে আদালত প্রশ্ন তোলে, কোন আইনের ভিত্তিতে এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। যদিও বাইক মিছিল নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে কমিশনের অবস্থানকে যথাযথ বলেও মন্তব্য করেন বিচারপতি।

কী জানাল আদালত

এরপর কমিশন জানায়, নির্বাচনী কাজে যুক্ত কর্মীদের ক্ষেত্রে ছাড় রাখা হয়েছে। কিন্তু তাতেও সন্তুষ্ট হয়নি আদালত। বিচারপতির প্রশ্ন, সাধারণ শ্রমিক বা কোচিং সেন্টারের সঙ্গে যুক্ত মানুষরা আইডি কার্ড কোথা থেকে পাবেন? আইডি না থাকলে কীভাবে ছাড় মিলবে? আদালত আরও জানায়, রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকতেই পারে তাদের ব্যবহার করেই বুথের আশপাশে নজরদারি জোরদার করা উচিত।

কী বলল দুই পক্ষ

কমিশনের অন্য আইনজীবী ডিএস নাইডু বলেন, রাজ্যে ভোটে হিংসার ইতিহাস রয়েছে, সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর পিছনে কোনও অসৎ উদ্দেশ্য নেই বলেও তিনি দাবি করেন। অন্যদিকে, রাজ্যের পক্ষ থেকে বলা হয়, এই ধরনের নির্দেশিকা জারির আইনি ক্ষমতার উৎস কমিশন স্পষ্ট করতে পারেনি। আইন তৈরির ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের নেই বলেও দাবি করা হয়। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও মন্তব্য করেন, নাকা চেকিংয়ের আওতায় বাইক রাখা যেতে পারে, তবে ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকেই এমন নিয়ন্ত্রণ কেন প্রয়োজন তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। সবশেষে, শুনানি শেষ করে আপাতত রায়দান স্থগিত রাখল আদালত।