Falta Assembly Election Result 2026: ২৯ এপ্রিল ফলতায় বিধানসভা নির্বাচনে ভোটগ্রহণের দিন ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় সব বুথেই ফের ভোটগ্রহণের নির্দেশ দেয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। ২১ মে ভোটগ্রহণ করা হয়। রবিবার সেই ভোটের ফল প্রকাশ করা হল। এই কেন্দ্র থেকে কার্যত মুছে গেল তৃণমূল কংগ্রেস (AITC)।

DID YOU
KNOW
?
ঝুঁকে গেল 'পুষ্পা'
বিধানসভা নির্বাচনের আগে নিজেকে 'পুষ্পা' বলে উল্লেখ করেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। তিনি চতুর্থ স্থানে থাকলেন।

Falta Election Result: ফলতায় ভোটের আগে ঝুঁকে গিয়ে লড়াই থেকে সরে যাওয়ার কথা ঘোষণা করেন 'পুষ্পা' জাহাঙ্গির খান। তবে ভোটের ৪৮ ঘণ্টারও কম সময় আগে তিনি লড়াই ছাড়ার কথা ঘোষণা করায় ইভিএম থেকে তাঁর নাম সরিয়ে দেয়নি নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। তৃণমূল কংগ্রেস (AITC) প্রার্থী কেন ভোটের লড়াই থেকে সরে যাওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন, তা রবিবার ফল প্রকাশের পর বোঝা গেল। মাত্র ৭,৭৮৩ ভোট পেয়ে চতুর্থ স্থানে থাকলেন জাহাঙ্গির। ১,৪৯,৬৬৬ ভোট পেয়ে জয় পেলেন বিজেপি (BJP) প্রার্থী দেবাংশু পাণ্ডা। তিনি ১,০৯,০২১ ভোটে জয় পেয়েছেন। দ্বিতীয় স্থানে থাকলেন সিপিআইএম (CPIM) প্রার্থী শম্ভুনাথ কুড়মি। তিনি ৪০,৬৪৫ ভোট পেয়েছেন। ফলতায় তৃতীয় স্থানে থাকলেন কংগ্রেস (Indian National Congress) প্রার্থী আবদুর রেজ্জাক মোল্লা। তিনি ১০,০৮৪ ভোট পেয়েছেন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

'তৃণমূলের হার-বার মডেল,' ব্যঙ্গ শুভেন্দুর

ফলতায় বিজেপি-র জয় নিশ্চিত হওয়ার পরেই তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) ব্যঙ্গ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডলে লিখেছেন, 'কুখ্যাত ‘ডায়মন্ড হারবার’ মডেল পরিণত হল ‘তৃণমূলের হার-বার’ মডেলে !!! সর্বপ্রথমে আমি ফলতা বিধানসভা আসনের পুনর্নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থী শ্রী দেবাংশু পাণ্ডাকে বিপুল জনাদেশ দিয়ে বিধানসভায় পাঠানোর জন্য ফলতার জনতা-জনার্দন গণদেবতাকে নতমস্তকে প্রণাম জানাই। ফলতার ভোটারদের কাছে বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ, বিজেপি-র প্রার্থীকে এক লক্ষ ভোটে জেতানোর আবেদন করেছিলাম, জয়ের ব্যবধান এক লক্ষ আট হাজার পেরিয়েছে। উন্নয়নের মাধ্যমে আপনাদের এই ঋণ শোধ করব। সোনার ফলতা গড়ার জন্য আমরা দায়বদ্ধ। একটি নীতি-আদর্শহীন দল, যা মাফিয়া কোম্পানিতে রূপান্তরিত হয়েছিল, ক্ষমতা হারাতেই তার কঙ্কালসার দশা উন্মোচিত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় শক্তির অপব্যবহার করে সরকারি ধন লুঠ, মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ তোলাবাজি, সিন্ডিকেট ও থ্রেট কালচারের মাধ্যমে কেড়ে নিয়ে এই দলের নেতারা ধরাকে সরা জ্ঞান করেছিল। প্যারাসুটে নেমে সেনাপতি আখ্যা পাওয়া এক জালিয়াত, এমন কোনও অপরাধ নেই যা সংগঠিত করেনি। নিজের অপরাধ সিন্ডিকেটকে প্রতিষ্ঠিত করতে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করতেও কোনও কসুর করেনি এই ‘বাঘের ছাল পরিহিত বেড়াল’। ফলস্বরূপ, বিগত নির্বাচনকে পরিহাসে পরিণত করে এই বিধানসভা ক্ষেত্রে দেড় লাখ ভোটের লিড নিয়েছিল তৃণমূল। ১৫ বছর পরে যখন মানুষ নিজের ভোট নিজে দেওয়ার স্বাধীনতা ফিরে পেলেন, তখন আসল বাস্তব প্রকাশিত হল। এ তো সবে শুরু, প্রত্যাখ্যানের দীর্ঘ যাত্রা এবার অতিক্রম করতে হবে। আগামী দিনে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বের সামনে নির্বাচনে ‘নোটা’-র বিরুদ্ধে কঠিন লড়াই অপেক্ষা করছে। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস ইতিমধ্যেই ত্রিপুরা রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে ‘নোটা’-র কাছেও পরাজিত হয়েছে। আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গেও এই জমজমাট লড়াই প্রত্যক্ষ করার অপেক্ষায় রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গবাসী...।'

Scroll to load tweet…

বিজেপি বিধায়ক সংখ্যা বেড়ে ২০৮

৪ মে বিধানসভা নির্বাচনে ২৯৩ কেন্দ্রের ফল প্রকাশিত হয়। ২০৭ আসন পেয়ে প্রথমবার রাজ্যে সরকার গঠন করে বিজেপি। রবিবার ফলতায় জয় পাওয়ার পর বিজেপি-র আসন সংখ্যা বেড়ে হল ২০৮।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।