বহুল আলোচিত ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনের ভোট গণনা শুরু হয়েছে। সকাল ৮টায় ডায়মন্ড হারবারের মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভোট গণনা শুরু হয়েছে। প্রথম কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রাথমিক প্রবণতা জানা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। পোস্টাল ব্যালট এবং ইভিএমের সমস্ত ধাপের গণনা শেষে দুপুর বা সন্ধ্যার মধ্যে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হবে।
বহুল আলোচিত ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনের ভোট গণনা শুরু হয়েছে। সকাল ৮টায় ডায়মন্ড হারবারের মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভোট গণনা শুরু হয়েছে। প্রথম কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রাথমিক প্রবণতা জানা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। পোস্টাল ব্যালট এবং ইভিএমের সমস্ত ধাপের গণনা শেষে দুপুর বা সন্ধ্যার মধ্যে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হবে। নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই কেন্দ্রে ভোটের সময় ছিল ৩৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। গণনাতেও জওয়ানরা রয়েছেন। ফলতায় গণনাকেন্দ্রে তৃণমূলের কোনও এজেন্ট এসে পৌঁছোননি। অন্য সব দলের এজেন্ট পৌঁছে গিয়েছেন।

২১ মে অনুষ্ঠিত পুনর্নির্বাচনে প্রায় ৮৮.১৩ শতাংশ ভোট পড়েছিল। পুনর্নির্বাচনে ঘিরে বিতর্ক এবং আকস্মিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে ফলতা এবার পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম আলোচিত বিধানসভা কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ২৯ এপ্রিলের ভোটে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগের পর নির্বাচন কমিশন ফলতা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দিয়েছিল। বেশ কয়েকটি বুথ থেকে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল যে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে পারফিউমের মতো গন্ধ এবং আঠালো টেপ ব্যবহার করা হয়েছিল। এই বিতর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, নির্বাচন কমিশন পুরো আসনে ভোট বাতিল করে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেয়। রাজ্যের বাকি ২৯৩টি বিধানসভা আসনের ফলাফল ইতিমধ্যেই ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে, ফলতা আসনটিই একমাত্র আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে ২০৭টি আসনে জিতে রাজ্যে প্রথমবার ঐতিহাসিক সরকার গঠন করেছে বিজেপি। এই আসনেও তাদের জয় নিশ্চিত বলেই মনে হচ্ছে। এক বিজেপি নেতার কথায়, ‘‘এই ফলতা থেকেই তো গত লোকসভা ভোটে ১ লক্ষ ৬৮ হাজার লিড পেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মানুষ ঢেলে ভোট দিতে পেরেছেন এ বার। তাই সে বারের ফলাফলের নেপথ্যে কী ছিল, তা এ বারের ফলই বলে দেবে।’’
শেষ মুহূর্তে তৃণমূল প্রার্থীর সরে দাঁড়ানো
ভোটের মাত্র দুই দিন আগে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী জাহাঙ্গির খান, যিনি পুষ্পা নামেও পরিচিত, প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ান। এই আসনের রাজনৈতিক গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়। তাঁর এই ঘোষণা ফলতার রাজনৈতিক গতিপ্রকৃতি পুরোপুরি বদলে দেয় এবং এই জল্পনাকে উস্কে দেয় যে বিজেপি এই আসনে বাড়তি সুবিধা পাবে। ভারতীয় জনতা পার্টি ফলতা থেকে দেবাংশু পান্ডাকে প্রার্থী করেছে। এদিকে, তৃণমূলের দাবি, জাহাঙ্গির খানের সরে দাঁড়ানো একটি ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত ছিল।
