করোনার থাবা ইতিমধ্য়েই কলকাতায় এসে পড়েছে। করোনা আক্রন্ত হয়েছে, ইংল্য়ান্ড ফেরৎ  দক্ষিণ কলকাতার এক তরুণ। এই মুহূর্তে সে কলকাতার বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালের বিশেষ আইসোলেশনে আছেন। এই মুহূর্তে কলকাতা সহ রাজ্য়ের করোনার ছবিটা কেমন, তাহলে জেনে নেওয়া যাক।

 

 

আরও পড়ুন, বান্ধবীর থেকেই সংক্রমণ, কলকাতার আক্রান্তকে নিয়ে নতুন চিন্তায় ডাক্তাররা


করোনা আক্রান্ত দেশ থেকে এসে রাজ্য়ে পর্যবেক্ষনে রয়েছেন যারা, তাদের একটা পরিসংখ্য়ান জেনে নেওয়া যাক। মঙ্গলবার ৪৩ জন। মোট সংখ্য়া ১২,২৪৪ জন। উল্লেখ্য় এদের মধ্য়ে ২৪৮ জনের মেয়াদ শেষ হয়েছে। হাসপাতালে রয়েছেন, মঙ্গলবার ১০ জন এবং এখনও মোটের হিসেবে ১৮ জন। গৃহ পর্যবেক্ষণে রয়েছেন, মঙ্গলবার ৩৬ জন এবং এখনও মোটের হিসেবে ১১৯৭৮ জন। নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে যাদের, মঙ্গলবার সেই সংখ্য়াটা ৮ জন এবং মোটের হিসেবে ৭০ জন। নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার পর রিপোর্ট মিলেছে, মঙ্গলবার ৮ জনের এবং মোটের হিসেবে ৭০ জন। এই মহূর্তে কলকাতায় আক্রান্ত হয়েছে ১ জন। 

 

আরও পড়ুন, আসল বলে নকল মাস্ক বিক্রি, কীভাবে চলছে জাল কারবার


জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষের নির্দেশিকা গুলি জেনে নেওয়া যাক। ভাইরাস ধরা পড়ার সময়সীমা দুই সপ্তাহ। গত দুই সপ্তাহের মধ্য়ে যে ভারতীয় বা বিদেশিরা দেশে এসেছেন তাদের খুজে বার করতে হবে রাজ্য়গুলিকে। এই কাজে সাহায্য় করবে অভিবাসন দফতর। বিপর্যয় মোকাবিলা আইনে নির্দেশিকা জারি করে জেলা প্রশাসনের তরফে বলা হবে, ১ জানুয়ারি থেকে যারা দেশে এসেছেন, তারা যেন অবশ্য়ই স্থানীয় প্রশাসনিক স্বাস্থ্য়কেন্দ্রে গিয়ে স্বেচ্ছায় স্বাস্থ্য় পরীক্ষা করিয়ে আসেন। স্বাস্থ্য়মন্ত্রকের বিধি অনুযায়ী স্বাস্থ্য় পরীক্ষা করতে হবে। এবং এই সময়সীমার মধ্য়ে যারা দেশের অন্য়ত্র বা বিদেশে গিয়েছেন তাদের যাবতীয় তথ্য় নথিভুক্ত করতে হবে।  


 

আরও পড়ুন, ইরানের পর এবার কুয়ালালামপুর, কলকাতার ছাত্রীর কাতর আবেদনের ভিডিও হল ভাইরাল

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য়, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য় মন্ত্রক থেকে ইতিমধ্য়েই রাজ্য় এবং সংস্থাকে আগাম করোনা ভাইরাস নিয়ে আগাম সতর্কতা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্টেডিয়াম, থিয়েটার, সিনেমা হল সহ সব জায়গাতেই কোনওরকম জমায়েতের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।  এই মুহূর্তে বিশ্বের প্রায় ১৪১ টি দেশে কামড় বসিয়েছে প্রাণঘাতী ভাইরাস করোনা। এক লক্ষ পচিশহাজারেরও বেশি মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত। চিনে মৃতের সংখ্যা সাড়েতিনহাজার ছাড়িয়েছে। ভারতেও আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বেড়ে একশো ছাড়িয়েছে। তাই করোনা মোকাবিলায় কোনও রকম ঝুঁকি নিতে রাজি নয় রাজ্য় সরকার।