- Home
- West Bengal
- Kolkata
- কাল থেকে টানা ছুটি ব্যাঙ্কে, এপ্রিলে হাতে আসবে বকেয়া ডিএ? জানুন নবান্নের নয়া নির্দেশিকা
কাল থেকে টানা ছুটি ব্যাঙ্কে, এপ্রিলে হাতে আসবে বকেয়া ডিএ? জানুন নবান্নের নয়া নির্দেশিকা
২০২৬ সালের ৩১শে মার্চ থেকে এপ্রিলে ব্যাঙ্কের ছুটির তালিকা এবং পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ২০১৬-২০১৯ সালের বকেয়া ডিএ (DA) প্রাপ্তির সর্বশেষ আপডেট জানুন এই প্রতিবেদনে। এক কিস্তিতেই ১০০ শতাংশ টাকা মেটানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার।

মার্চ মাসের শেষ এবং এপ্রিলের শুরুতেই রাজ্যে ব্যাঙ্কিং পরিষেবায় বড়সড় প্রভাব পড়তে চলেছে। উৎসব এবং বার্ষিক হিসাব নিকাশের কারণে কাল অর্থাৎ ৩১শে মার্চ থেকে টানা কয়েকদিন ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে।অন্যদিকে, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ (DA) মেটানো নিয়ে নবান্নের তৎপরতা এখন তুঙ্গে।
ব্যাঙ্ক ছুটির তালিকা: ২০২৬ সালের সরকারি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ৩১শে মার্চ (মঙ্গলবার) মহাবীর জয়ন্তী উপলক্ষে ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে। ঠিক তার পরের দিন, ১লা এপ্রিল (বুধবার) ব্যাঙ্কের বার্ষিক অ্যাকাউন্ট ক্লোজিংয়ের কারণে সাধারণ গ্রাহকদের জন্য পরিষেবা বন্ধ থাকবে।
যদিও ২রা এপ্রিল ব্যাঙ্ক খোলা থাকবে, তবে ৩রা এপ্রিল (শুক্রবার) গুড ফ্রাইডে উপলক্ষে ফের সরকারি ছুটি থাকায় ব্যাঙ্ক পরিষেবা মিলবে না।ফলে টানা ছুটির আবহে সাধারণ মানুষকে এটিএম বা ডিজিটাল ব্যাঙ্কিংয়ের ওপর নির্ভর করতে হবে।
বকেয়া ডিএ-র আপডেট: ব্যাঙ্ক যখন ছুটির মেজাজে, তখন রাজ্য প্রশাসন কিন্তু কর্মচারীদের বকেয়া মেটাতে ব্যস্ত। সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশের পর রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের বকেয়া ডিএ দু'দফায় নয়, বরং এক দফাতেই ১০০ শতাংশ মিটিয়ে দেওয়া হবে। অর্থ দপ্তরের সংশোধিত নির্দেশিকা অনুযায়ী, এই টাকা ৩১শে মার্চের মধ্যেই মিটিয়ে দেওয়ার কথা।
নবান্ন সূত্রে খবর, ইতিমধ্য়েই অনেক কর্মীর অ্যাকাউন্টে বা জিপিএফ-এ টাকা ঢোকার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। গত ২৮ ও ২৯শে মার্চ (শনি ও রবিবার) ডিএ সংক্রান্ত কাজ শেষ করতে অর্থ দপ্তরের অ্যাকাউন্টস শাখাগুলি খোলা রাখা হয়েছিল।
কারা কীভাবে টাকা পাবেন?
গ্রুপ-ডি এবং পেনশনভোগী: এঁদের বকেয়া টাকা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে নগদে জমা পড়বে। অবসরপ্রাপ্ত কর্মীরা আগামী ২রা এপ্রিল থেকে এই টাকা তুলতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
গ্রুপ-এ, বি এবং সি: বর্তমানে কর্মরত এই স্তরের কর্মচারীদের টাকা সরাসরি তাঁদের জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড (GPF) অ্যাকাউন্টে জমা হবে। তবে এই টাকা আগামী ২৪ মাস বা দুই বছরের আগে তোলা যাবে না (অবসর বা বিশেষ ক্ষেত্র ছাড়া)।
যদিও বিরোধী সংগঠনগুলি একে নির্বাচনী চমক বলে কটাক্ষ করেছে, তবে কয়েক লক্ষ সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগী পরিবারের জন্য এটি এক বড় প্রাপ্তি। ব্যাঙ্কের টানা ছুটির মধ্যেও কর্মচারীদের বকেয়া সুনিশ্চিত করতে নবান্নের এই সক্রিয়তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

