Kasba Gang Rape Case: কসবা কাণ্ডে বাড়ছে প্রতিবাদ-বিক্ষোভের ঝাঁজ। এবার খালি গায়ে অভিনব প্রতিবাদ দেখালো বিজেপি। বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন… 

কসবা: উলঙ্গ হয়ে "গায়ের উপর বোনেদের নিরাপত্তা চাই" লিখে কলকাতার কসবা লা কলেজের ছাত্রী ধর্ষণকাণ্ডে অভিনবভাবে প্রতিবাদ জানালো হুগলি জেলায় বিজেপি। তারা রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করে। হুগলির সপ্তগ্রাম বিধানসভা হাড়িত এলাকায় বিজেপি এই প্রতিবাদকে ঘিরে শোরগোল পড়ে যায়। বিজেপির এই কর্মসূচি ঘিরে টানটান উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পথ অবরোধকে ঘিরে বেশ কিছুক্ষণ যান চলাচল বিঘ্নিত হয়।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

অন্যদিকে, ফের প্রকাশ্যে এল এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, সিসি ক্যামেরায় যেমনটা দেখা গিয়েছিল, সেই পোশাকই খুঁজে পাওয়া গিয়েছে কসবার কলেজে ধর্ষণের ঘটনায় মূল অভিযুক্তের বাড়িতে। তাঁকে এম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। রবিবার তিন অভিযুক্তের বাড়িতেই গিয়েছিল পুলিশ। সেখান থেকে নানা নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এক আধিকারিক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, এম-র বাড়িতে সেই পোশাকগুলোই দেখা গিয়েছে। যেগুলো তিনি ঘটনার সময় পরেছিলেন। সেই পোশাক ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হচ্ছে।

কলকাতা পুলিশের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার (দক্ষিণ শহরতলি) প্রদীপকুমার ঘোষাল সিটের নেতৃত্বে রয়েছেন। প্রথমে তাঁর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের সিট গঠন করা হয়েছিল। রবিবার সেই সদস্যসংখ্যা বাড়িয়ে ৯ করা হয়। এই দলের এক অফিসারের কথায়, আগে সিসিটিভি ফুটেজে যে পোশাক দেখা গিয়েছিল, বাড়ি থেকে সংগ্রহ করা পোশাকের সঙ্গে তা মিলে গিয়েছে। এগুলো ফরেন্সিক প্রমাণ হিসেবে এই তদন্তে কাজে লাগাতে পারে। এদিকে বাকি দুই অভিযুক্তের বাড়ি থেকেও পোশাক এবং অন্যান্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তাঁরা মোবাইল ছাড়া অন্য কোনও বৈদ্যুতিন গ্যাজেট ব্যবহা করেন কি না, তার খোঁজও করা হয়েছে।

সূত্রের খবর, তরুণী জানিয়েছেন, রক্ষীর ঘরে যখন তাঁকে ধর্ষণ করা হচ্ছিল, তাঁর মাথায় আঘাত লেগেছিল। তার পরেও থামেনি অভিযুক্ত। তরুণীর মৃতপ্রায় অবস্থায় পড়েছিল। একটা সময় পর আর তিনি বাধা দেননি, যাতে দ্রুত কলেজ থেকে বেরোতে পারেন। হকি স্টিক দিয়ে তাঁকে মারা চেষ্টা করা হয়েছিল বলেও সে জানায়। জানা গিয়েছে, রক্ষীর ঘরে ধস্তাধস্তির প্রমাণ মিলেছে। পাওয়া গিয়েছে ছেঁড়া চুল। তবে, এখনও স্পষ্ট নয় চুল কার। ফরেন্সিক নমুনা হিসেবে তা সংগ্রহ করা হয়েছে।

অভিযোগ, গত ২৫ মে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে ১০টা ৫০ মিনিট, প্রায় ৩ ঘন্টা ২০ মিনিট ধরে কলেজের রক্ষীর রুমে অকথ্য নির্যাতন চলে আইনের ছাত্রীদের ওপর। নির্যাতিতা শাসকদলের ছাত্র সংগঠনে কর্মী। পুলিশকে দেওয়া অভিযোগপত্রে তিনি লিখেছেন, কলেজের প্রাক্তনী তথা প্রভাবশালী নেতার প্রেম তথা বিয়ের প্রস্তাব নাকচ করে দেওয়ার অপরাধে তাঁকে ধর্ষণ করা হয়েছে। অভিযুক্তকে সহায়তা করেছেন আরও দুজন

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।