Chorbagan Durga Puja: ২৪ অক্টোবরের মধ্যে শেষ করতে হবে প্রতিমা নিরঞ্জনের কাজ। চোরবাগান বিপর্যয়ে এই বছর মণ্ডপ অক্ষত রেখে প্রতিমা নিরঞ্জনই চ্যালেঞ্জ পুজো কমিটির কাছে। কী বলছে কর্তৃপক্ষ? বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন।।

Chorbagan Durga Puja: চোরবাগানের প্রতিমা নিরঞ্জন নিয়ে যে জট তৈরি হয়েছিল, সেই জটিলতা কেটে গিয়েছে। শনিবার সকাল থেকেই প্রতিমা নিরঞ্জনের প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গিয়েছে। মণ্ডপের একটি অংশ খুলে প্রতিমা বার করার প্রক্রিয়া চলছে। প্রায় ২৫ ফুট উঁচু এই প্রতিমা শুধুমাত্র সামনের মূল প্রবেশপথের একটা অংশ কেটে আদৌ বার করা সম্ভব কি না, তা এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়, তবে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

মৃৎশিল্পী বিমল সামন্ত থেকে ধীমান সুতার হয়ে, তারপরে রিন্টু দাস এবং অবশেষে সুশান্ত শিবানি পাল— চোরবাগানের এই মণ্ডপের মূল বৈশিষ্ট্য হচ্ছে প্রতিমা মণ্ডপের ভেতরেই তৈরি হয়ে আসছে। বিশেষ করে সুশান্ত শিবানি পাল তিনি প্রত্যেকটি পুজোর ক্ষেত্রেই, পুজোর একদিকে তিনি মণ্ডপ নিজে স্ট্রাকচার করেন এবং তার মধ্যে তিনি প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু করেন। এবং শেষ পর্যন্ত যখন বিসর্জনের সময় আসে, তখন মণ্ডপের পিছন দিকের অংশ অর্থাৎ প্রতিমার পিঠের দিকের অংশ, সেই অংশটা সম্পূর্ণ খুলে সেখান থেকে প্রতিমা বার করে ট্রাকে তুলে তারপর বিসর্জনের পথে যায়।

শনিবারই চোরবাগানের প্রতিমা বিসর্জন? 

এটা এত বছর ধরে হয়ে আসছে, পরিবর্তিত পরিস্থিতি এই বছর চোরবাগানে তদন্তকারী দল তাদের প্রধান অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, তিনি বলেছেন মণ্ডপ যতটা সম্ভব কম ভেঙে প্রতিমা বার করতে হবে। অতএব প্রতিমা বার করার অনুমতি পাওয়া গেছে ঠিকই, কিন্তু সেখানে বেশ কিছু টেকনিক্যাল ফাঁকফোকর বা অসুবিধা একটা অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। শিল্পীর বক্তব্য অনুযায়ী, গতকাল বিকেল থেকে কাজ শুরু হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী মণ্ডপ কম ভেঙে প্রতিমা বার করার নির্দেশ থাকলেও, মূল প্রবেশপথের সামনে একাধিক সার্কুলার থাকায় এত বড় প্রতিমা সেখান দিয়ে বার করা বেশ কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং।

পুলিশের গাইডলাইন মেনে এবং মণ্ডপের কাঠামো যতটা সম্ভব অক্ষত রেখে আজ, ২৪ অক্টোবর শনির মধ্যরাতের মধ্যে শহরের সমস্ত বারোয়ারী কমিটিকে তাদের প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন করতে হবে। এখন দেখার, চোরবাগানের এই বিশাল প্রতিমা নিরঞ্জন শেষ পর্যন্ত কোন পথে সম্পন্ন হয়।

প্রসঙ্গত, চোরবাগান কাণ্ডে ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত প্রতিমা নিরঞ্জন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেনি কোনও পক্ষই। পুজো মণ্ডপ অক্ষত রেখে কীভাবে প্রতিমা নিরঞ্জন করা সম্ভব, তা নিয়েই এখন জোর চর্চা চলছে। শুক্রবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সিটের প্রধান তথা প্রাক্তন বিচারপতি। পরিদর্শনের পর তিনি স্পষ্ট জানান, পুজো মণ্ডপটি সম্পূর্ণ অক্ষত রাখতে চান তাঁরা। মণ্ডপ অক্ষত রেখেই যদি প্রতিমা নিরঞ্জন সম্ভব হয়, তাহলে তাতে কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু তা সম্ভব না হলে প্রতিমা নিরঞ্জন করা হবে না বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।