21 July: ২৩ মে , শনিবার, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার ঘোষণা করেছেন, ২১ জুলাই এবার কংগ্রেসের তরফে পালন করা হবে ধর্মতলার শহিদ মিনারে। মমতা জমান শেষ হতেই বড় কর্মসূচি কংগ্রেসের।  

বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের শোচনীয় পরাজয়। তারপরই যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছে কংগ্রেস। একদিনে তৃণমূল কংগ্রেসের যখন অস্তিত্বই সংকটে পড়েছে তখনই নিজেদের ঘর গুছিয়ে নিতে আসতে নেমেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। এতদিন ২১ জুলাই শহিদ দিবসের একচ্ছত্র আধিপত্য বা রাশ ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের। কিন্তু এবার সেই রাশ নিজেদের হাতে তুলে নিতে মরিয়া চেষ্টা করছে কংগ্রেস। ২১ জুলাই-এর এখনও মাস দুয়েক বাকি রয়েছে। এত দিন আগেই কোথায় ,কীভাবে , শহিদ দিবস পালন করা হবে তা নিয়ে পরিকল্পনা শুরু করেছে কংগ্রেস।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ডাক

২৩ মে , শনিবার, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার ঘোষণা করেছেন, ২১ জুলাই এবার কংগ্রেসের তরফে পালন করা হবে ধর্মতলার শহিদ মিনারে। তিনি আরও বলেছেন, এবার শহিদ দিবস পালনের পরিকল্পনা আগে থেকেই করা হয়েছে।

১৯৯৮ সালের ১ জানুয়ারি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস ছেড়ে বেরিয়ে এসে তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করেন। তারপর গঙ্গা দিয়ে অনেক জল বয়ে গেছে। মমতার তৃণমূল দিনে দিনে যত শক্তিশালী হয়েছে কংগ্রেস ততই শক্তি হারিয়েছে। কংগ্রেসে অধিকাংশ শীর্ষস্থানীয় নেতারাই তৃণমূলে যোগদান করেছিলেন। হাতেগোনা কয়েকজন কংগ্রেস নেতাই থেকেই গিয়েছেন কংগ্রেসে। তৎকালীন প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে তিনি কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে আসেন এবং নিজের নতুন দল প্রতিষ্ঠা করেন।

তারপর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেস ২১ জুলাই পালন করে আসছে। শহিদ দিসব যদিও তৃণমূল পালন করতো কিন্তু কংগ্রেস নেতাও শহিদ দিবস পালন করত, তবে মঞ্চ বেঁধে নয়, ছোট্ট করে। কিন্তু এবার মমতার জমানা শেষের পরই কংগ্রেস বড় করেই শহিদ দিবসের অনুষ্ঠান করার পরিকল্পনা করছে বলে সূত্রের খবর।

শহিদ দিবস

২১ জুলাই শহিদ দিবস হলো পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন, যা মূলত ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই কলকাতায় পুলিশের গুলিতে নিহত ১৩ জন যুব কংগ্রেস কর্মীর স্মরণে পালন করা হয়। তৎকালীন যুব কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে "নো ভোটার আইডেন্টিটি কার্ড, নো ভোট" (অর্থাৎ সচিত্র ভোটার পরিচয়পত্র ছাড়া ভোট নয়) এই দাবিতে মহাকরণ অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছিল। সেই সমাবেশে পুলিশ গুলি চালালে ১৩ জন আন্দোলনকারী নিহত হন। সেই সময় বঙ্গ ছিল বামেদের দখলে।