- Home
- West Bengal
- Kolkata
- মুখ্যমন্ত্রীর হাতের সবুজ ফাইলে কিসের তালিকা? ED সূত্রে খবর গোপন নথি রাখা হয়েছিল বাজেয়াপ্তের জন্য
মুখ্যমন্ত্রীর হাতের সবুজ ফাইলে কিসের তালিকা? ED সূত্রে খবর গোপন নথি রাখা হয়েছিল বাজেয়াপ্তের জন্য
আইপ্যাক কাণ্ডে এবার তথ্য সামনে এল। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতের সবুজ ফাইলটি কয়লাপাচার-কাণ্ডের তদন্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সেই ফাইলেই ছিল গুরুত্বপূর্ণ নথি।

আইপ্যাক-কাণ্ডে বড় তথ্য
আইপ্যাক কাণ্ডে এবার তথ্য সামনে এল। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতের সবুজ ফাইলটি কয়লাপাচার-কাণ্ডের তদন্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সেই ফাইলেই ছিল গুরুত্বপূর্ণ নথি। তেমনই জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনুচ্ছুক এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের কর্তা। সূত্রের খবর সবুজ ফাইলটি বাজেয়াপ্ত করার জন্য আলাদা করে সরিয়ে রেখেছিল ইডি।
সবুজ ফাইল কোথায় ছিল?
ED সূত্রের খবর মমতার হাতের সবুজ ফাইলটি ছিল আইপ্যাকের কর্ণঢার প্রতীক জৈনের বাড়িতে। লাউডন স্ট্রিটের বাড়ি থেকেই মমতা সবুজ ফাইলটি নিয়ে এসেছিলেন। ইডি সূত্রের খবর প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালানোর সময় তাঁর বাড়ির স্টাডি টেবেলি ছিল সবুজ ফাইলটি। সেটি বাজেয়াপ্ত করার জন্য সরিয়ে রাখা হয়েছিল বলেও জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আধিকারিক।
সবুজ ফাইলে কী ছিল?
প্রশ্ন কী ছিল সবুজ ফাইলে, যার জন্য মুখ্যমন্ত্রী ফাইলটি হাতছাড়া করতে নারাজ ছিলেন। তারও উত্তর পাওয়া গিয়েছে ইডি সূত্রে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ই়ডি কর্তা জানিয়েছেন, প্রতীক জৈনের স্টাডি টেবিলের ওপর একটি নামের তালিকা ছিল। তাতে শিরোনামও ছিল। আর্থিক তছরুপের সঙ্গে সেই তালিকার কারো যোগ রয়েছে কিনা তাই খতিয়ে দেখতে চেয়েছিল ইডি। আর সেই কারণেই সবুজ ফাইলে বন্দি সেই কাজগপত্র বাজেয়াপ্ত করার জন্য সরিয়ে রাখা হয়েছিল।
কথা শোনেননি মুখ্যমন্ত্রী
ইডি সূত্রের খবর, প্রথমে পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মা ও পরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে ঘটনাস্থলে যান। ইডির আধিকারিকদের বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও তাঁরা দুজনে ঘটনাস্থল থেকে একাধিক নথিপত্র ও নামের তালিকা নিয়ে চলে যান। যদিও বাইরে বেরিয়ে মমতা দাবি করেছেন, বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থীদের নামের তালিকা তিনি নিয়ে এসেছেন। প্রতীক জৈন তাঁর দলের ভোট কুশলী। তাই তাঁর কাছে তৃণমূলের প্রস্তাবিত প্রার্থী তালিকা থাকা কোনও কঠিন ব্যাপার নয়।
ইডির সূত্রের দাবি
ইডির একটি সূত্র দাবি করেছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় যখন প্রতীক জৈনের বাড়িতে গিয়েছিলেন সেই সময় মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি প্রতীক জৈনের কোনও কথা হয়নি। মমতার সঙ্গে কথা হয়েছিল ইডির দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক প্রশান্ত চান্ডিলার। তাঁর কাছ থেকেই জোর করে ডিজিটাল নথি মমতা কেড়ে নিয়েছেন বলেও আদালতে দাবি করেছে ইডি।
মমতা কী কী নিয়েছিল?
ইডির একটি সূত্র দাবি করছে লাউডন স্ট্রিট থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর পারিষদরা সবুজ ফাইল ছাড়াও একটি ল্যাপটপ, একটি আইফোন নিয়ে যান। সেগুলি তাঁরা বাজেয়াপ্ত করার জন্য আলাদা করে রেখেছিল।

