Firhad Hakim On Amit Shah: বছর শুরুর দিনই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহকে তীব্র আক্রমণ শানালেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। কী বলেছেন তিনি? বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…

Firhad Hakim On Amit Shah: পড়ে গিয়েছে নতুন বছর ২০২৬ সাল। আর মাস চারেক পর বেজে যাবে বাংলায় বিধানসভা ভোটের দামামা। নির্বাচনের ময়দানে নিজেদের জমি শক্ত করতে এখন থেকেই ঘুঁটি সাজানো শুরু করে দিয়েছে শাসক-বিরোধী উভয় শিবির।

 বছর শেষে গত ডিসেম্বর মাসেই বঙ্গ সফরে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দুদিনের জন্য কলকাতা সফরে এসেছিলেন তার ডেপুটি তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। ভোটের ময়দানে কীভাবে নিজেদের জমি শক্ত করা হবে সেই বিষয়েও বার্তা দিয়েছেন তিনি।

কী বলেছেন ফিরহাদ হাকিম?

আর এবার একেবারে বছরের শুরুতে অমিত শাহকে পাল্টা বার্তা দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। বঙ্গ ভোটে বিজেপির অবস্থা নিয়ে কটাক্ষ ছুঁড়লেন তিনি। বলেন-''আমি শাহ মোটা ভাই। আমরা রাজনীতিক দল আমাদের কাজ হচ্ছে ত্রুটি হবে সেটা তুলে ধরা। 

কমিশন বিজেপি কথায় দলদাস হয়ে গিয়েছে । বিজেপি হয়ে থ্রেট করছে কমিশন। লজিক্যাল প্রশ্ন জবাব দেওয়া আমাদের কনস্টিটিউশন বডি জবাব দেওয়া। নির্বাচিত সরকার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার। সেই সরকার ঠিক করবে মানুষের স্বার্থে প্রকল্প চলবে কি না। স্বাস্থ্য সাথী সবার জন্য। আয়ুষ্মান ভারতে প্রকল্প মুখ্য থুবড়ে পড়েছে।''

তিনি আরও বলেন যে, ''কমিশনের নোটিফিকেশনে রায় গে যে কোনো ভোটার বাদ হয়েছে। আমি কেন প্রমাণ করব আপনি প্রমাণ করুন যে আমি ভারতীয় নয়।'' এছাড়াও আইপিএল নিয়ে তিনি বলেন- ''সব ব্যাপারে সাম্প্রদায়িকতা করা। জয়শঙ্কর কালকে গিয়ে ছিলেন। তাহলে তিনি কি গাদ্দার হয় গেছেন। গান্ধীজি নীতি হচ্ছে একমাত্র বিকল্প।'' 

অন্যদিকে, বারুইপুরের খাসমল্লিকে ভাড়া বাড়ি থেকে বুধবার রাতে বেশ কিছু পাসপোর্ট সহ দুজনকে গ্রেফতার করল বারুইপুর থানার পুলিশ। উদ্ধার হওয়া পাসপোর্টের মধ্যে এ রাজ্যের নদীয়া জেলার বাসিন্দা, এমনকি বিহার, ওড়িশার বাসিন্দাদের পাসপোর্ট রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এত পাসপোর্ট তাদের কাছে কীভাবে এল, খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

পাসপোর্ট গুলি ভুয়ো কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশের অনুমান, বিদেশে চাকরির টোপ দিয়ে লোকজনের পাসপোর্ট জমা রাখত তারা। বদলে টাকা তুলত তাদের কাছ থেকে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম মেহেবুব মোল্লা ওরফে রাজ ও প্রীতম বসু।

 মেহবুবের বাড়ি মগরাহাট। প্রীতম নরেন্দ্রপুর থানা এলাকার বাসিন্দা। প্রীতম কর্মসূত্রে মুম্বইতে থাকত বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় সাত আট মাস ধরে ওই এলাকায় একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকছিল ওই দুজন। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ এ দিন সেই ভাড়া বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের ধরে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার ধৃত দুজনকে বারুইপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হবে নিজেদের হেফাজতে চেয়ে আবেদন জানিয়েছে পুলিশ।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।