Indranil Sen: রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের বাড়িতে ইডির তল্লাশি। সাতসকালে কেন মন্ত্রীর বাড়িতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা? কী কারণে এই তল্লাশি অভিযান? বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন।।
Indranil Sen: দুর্গাপুজোয় পাস বিক্রির নামে বিস্তর দুর্নীতির অভিযোগ। এবার রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের বাড়িতে ইডির তল্লাশি। মঙ্গলবার সাতসকালে ইন্দ্রনীলের কসবার বাড়িতে হানা দেয় ইডি বা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা। চলছে তল্লাশি অভিযান। সূত্রের খবর, তবে শুধু ইন্দ্রনীল সেনের কসবার বাড়িতে নয়। ইডি অভিযান শহরের একাধিক জায়গায়। নাকা তল্লাশি চলছে হিন্দুস্তান পার্ক, হাইল্যান্ড পার্ক-সহ কলকাতার মোট ১০ জায়গায়। প্রাক্তন মন্ত্রীর আত্মীয়দের বাড়িতেও চলছে ইডির তল্লাশি।
কোন অভিযোগে ইন্দ্রনীলের বাড়িতে ইডি?
জানা গিয়েছে, রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের আত্মীয়দের বাড়ি ছাড়াও ইডির অভিযান চলছে হাইল্যান্ড পার্কের এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে। ওই ব্যবসায়ী ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে যুক্ত বলে খবর। প্রাক্তন মন্ত্রী বিরুদ্ধে অভিযোগ, দুর্গাপুজো শুরুর আগে নামী নামী ক্লাবের পুজো পরিক্রমার নামে ভুয়ো পাস বিক্রি করা হত। আর এই নিয়ে নিয়ে চলতি বছরের জুন মাসে বউবাজার থানায় ইন্দ্রনীল এবং ‘মাস আর্ট’ নামে এক সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়। বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জনের জন্য ‘ইউনেসকো’র নাম ব্যবহার করেও এই ‘ভুয়ো পাস’গুলি বিক্রি করা হত বলে অভিযোগ।
অভিযোগ , তৃমমূল সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন ২০২১ সালে কলকাতার দুর্গাপুজো ইউনেসকোর স্বীকৃতি দেয়। আর ইউনেসকোর স্বীকৃতি পাওয়ার পরে মাস ছয়েকের মধ্যে একটি সংগঠন গঠন করা হয়। তারা কলকাতার দুর্গাপুজোর প্রচারের ক্ষেত্রে নিজেদের ইউনেসকোর ‘অফিশিয়াল পার্টনার’ বলে দাবি করে। এই দাবি মিথ্যা বলে অভিযোগ। তা ছাড়া ইউনেসকোর নাম, লোগো ইত্যাদিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। সব মিলিয়ে দুর্গাপুজোর নামেও দুর্নীতিতে এবার জড়িয়ে পড়ল তৃণমূল আমলের মন্ত্রীর নাম।
আরও জানা গিয়েছে যে, কলকাতার প্রায় ২৪টি দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শো-এর টিকিট বিক্রি করা হয়েছিল। ওই সংগঠনের মাধ্যমে 'প্রিভিউ শো'-এর নামে ১৭৪৯-৫৪৯৯ টাকায় টিকিট বিক্রি করা হয়। দাবি করা হয়েছিল, ইউনেসকো ওই ২৪ টি পুজোমণ্ডপকে বাছাই করেছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত এই দাবির কোনও সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে তদন্তকারী সংস্থা সূত্রের খবর। অভিযোগ, 'প্রিভিউ শো'-এর পাসের নামে টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। ২০২৪ সালে এই পাসগুলির জন্য প্রায় ৬১ হাজার রেজিস্ট্রেশন হয়েছিল। আর এই সব মিলিয়ে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে


