Kham Symbol: আইএসএফ-এর 'খাম' প্রতীক ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেসকে বরাদ্দ করা নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে কড়া প্রশ্ন কলকাতা হাইকোর্টের। নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের আগে বাড়ছে জটিলতা, জানুন বিস্তারিত।
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনকে ঘিরে নতুন করে জটিলতা তৈরি হয়েছে নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে। ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট বা আইএসএফ-এর কাছ থেকে ফিরিয়ে নিয়ে নবগঠিত ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেসকে 'খাম' প্রতীক বরাদ্দ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল আইএসএফ। বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানিতে কমিশনের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলল কলকাতা হাইকোর্ট।
প্রতীক যুদ্ধে আদালতের প্রশ্ন
আদালতে বিচারপতি কৃষ্ণরাও জানতে চান, নির্বাচন কমিশনের হাতে যেখানে ১৮৩টি প্রতীক অবাধে পড়ে রয়েছে, সেখানে কেন এমন একটি প্রতীক বেছে নেওয়া হলো, যা নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী অন্য একটি দলের সঙ্গে জড়িত। তাঁর স্পষ্ট পর্যবেক্ষণ, বিতর্কিত এই প্রতীকটি সংরক্ষিত রাখাই ছিল বাঞ্ছনীয়। শুনানিতে বিচারপতি এমন মন্তব্যও করেন যে প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের আচরণ হওয়া উচিত ন্যায্য ও নিরপেক্ষ, অথচ বারবার এমন সিদ্ধান্তের জেরে সাধারণ মানুষকে আদালতের দ্বারস্থ হতে হচ্ছে বলেও উষ্মা প্রকাশ করেন তিনি।
শুনানি মুলতবি
শুনানিতে নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী যুক্তি দেন, প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলিরই প্রতীক বেছে নেওয়ার অধিকার রয়েছে। যদিও পাল্টা যুক্তিতে আইএসএফ-এর আইনজীবী জানান, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কমিশনের হাতেই থাকে, তাই দায় এড়ানো যায় না। শেষ পর্যন্ত প্রতীক বরাদ্দের ক্ষেত্রে বিজ্ঞপ্তি জারি না হওয়ার বিষয়ে নির্দেশনা নেওয়ার জন্য সময় চান কমিশনের আইনজীবী। সেই আবেদন মেনে শুক্রবার পর্যন্ত শুনানি মুলতবি রাখে আদালত।
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন
উল্লেখ্য, বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর আসন ছেড়ে যাওয়ার কারণে শূন্য হওয়া নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে উপনির্বাচন হতে চলেছে আগামী ৬ অক্টোবর। তার আগে প্রতীক নিয়ে এই আইনি টানাপোড়েন রাজনৈতিক মহলে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।


