Kolkata Police:ভোটের আগে কড়া নজরদারি কলকাতায়। গ্রেফতার করা হয়েছে কলকাতায় অসন্তোষ তৈরি করতে পারে এমন চার জনকে। উদ্ধার হয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা।
নির্বাচন কমিশন একাধিকবার জানিয়েছে, এবার শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে মরিয়া তারা। আর সেই কারণে একাধিক পদক্ষেপ করা হয়েছে। রাজ্যের আইনশৃঙ্খরা বজায় রাখতেও মরিয়া কমিশন। আর সেই কারণে পুলিশও রয়েছে তৎপর। ভোটের সময় কলকাতার জন্য অসন্তোষ সৃষ্টিকারী বা 'ট্রাবেল মেকার' চার জনকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশ। একই সঙ্গে কয়েকটি জায়গায় নাকা চেকিং চালিয়ে উদ্ধার করা হয়েছে প্রচুর নগদ টাকা।
গ্রেফতার ৪ ট্রাবেল মেকার
কলকাতা পুলিশের হাতে গ্রেফতার চার অসন্তোষ সৃষ্টিকার বা ট্রাবেল মেকার। এদের কারও বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা রয়েছে। বা অন্য মামলা রয়েছএ। ধৃতরা হল-
- জয়দেব মালাকার ওরফে ম্যান্ডেলা টলিগঞ্জ এলাকা
- মিন্টু ঘোড়ুই ওরফে বল্টু পঞ্চসায়র এলাকা
- অর্পণ চক্রবর্তী বাঁশদ্রোণী এলাকা
- শাহাদত হোসেন ওরফে শাকা একবালপুর এলাকা
এরমধ্যে অর্পণের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা রয়েছে।
নাকা চেকিং
কলকাতায় মঙ্গলবার তিনটি এলাকায় নাকা চেকিং হয়। তাতে ৬ লক্ষ ৩৩ হাজার ৫০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। জোড়াসাঁকো বিধানসভা এলাকার বড়়তলা থানা ৪ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে। বেলেঘাটা বিধানসভা এলাকার সিআইটি রোড থাকা ১ লক্ষ ৩৩ হাজার ৫০০ টাকা উদ্ধার করেছে। ভবানীপুর বিধানসভা এলাকার শেস্কপিয়র সরণি নানা ১ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে।
আগ্নেয়াস্ত্র
কলকাতা পুলিশ জানিয়েছে নির্বাচনের দিন ঘোষণার পর থেকেই শহরে ২৪টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৬৭ রাউন্ড গুলি, ১৭২টি বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ ১ কোটি ৭১ লক্ষ ২ হাজার ১০২ টাকাও উদ্ধার করেছে। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী যৌথ ভাবেও একাধিক স্থানে নাকা চেকিং করেছে। যৌথভাবে তল্লাশি চালাচ্ছে। তাতেও ১ কোটি ৫১ লক্ষ ৯৩ হাজার ৬৫০ টাকা উদ্ধার হয়েছে। ভোটের আগে বহিরাগতদের যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ করতে হোটেল গেস্টহাউসের ওপরও নজরদারি চালানো হচ্ছে।
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে নজিরবিহীন কড়াকড়ি জারি করল নির্বাচন কমিশন। এবার নির্দেশ স্পষ্ট—বহুতল আবাসনে শুধু সংশ্লিষ্ট বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটাররাই থাকতে পারবেন, আত্মীয়-স্বজনরাও নয়। অর্থাৎ বাইরে থেকে কেউ এলে, তিনি ওই কেন্দ্রের ভোটার না হলে আবাসনে থাকা চলবে না।
প্রশাসন সূত্রে খবর, বহু বহুতল আবাসনেই এবার ভোটকেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে। সেই কারণেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই কঠোর পদক্ষেপ। কমিশনের মতে, বহিরাগতদের উপস্থিতি ভোট প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে, তাই কোনওরকম ঝুঁকি নিতে রাজি নয় প্রশাসন।


